### পরকীয়া প্রেমের ছায়া
আমার নাম রিয়া। আমি একটা সাধারণ গৃহিণী, বয়স ৩২। আমার স্বামী অরিজিৎ একটা বড় কোম্পানিতে চাকরি করে, সারাদিন অফিসে থাকে। আমাদের বিয়ে হয়েছে ৮ বছর, একটা ছোট মেয়ে আছে, নাম রিয়ানা। আমরা কলকাতার একটা পশ পাড়ায় থাকি, যেখানে সবাই নিজের নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত। আমার দিন কাটে ঘরের কাজে, মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে আসায়, আর কখনো কখনো প্রতিবেশীদের সাথে গল্প করে। কিন্তু আমার জীবনটা যেন একঘেয়ে হয়ে গেছে। অরিজিৎ রাতে ফিরে এসে টিভি দেখে ঘুমিয়ে পড়ে, আমাদের মধ্যে সেই পুরনো আগুনটা আর নেই। আমি নিজেকে আয়নায় দেখে ভাবি, এখনো তো আমার শরীরটা আকর্ষণীয়—গোলাপী ঠোঁট, ফর্সা গাল, আর ৩৪-২৮-৩৬ এর ফিগার। কিন্তু কে দেখবে?
আর আমার গল্পের অন্য নায়ক রাহুল। সে আমাদের প্রতিবেশী, বয়স ২৮। রাহুল একটা ফ্রিল্যান্সার, বাড়িতেই কাজ করে। তার বিয়ে হয়েছে মাত্র ২ বছর, তার বউ প্রিয়া একটা স্কুলের টিচার। রাহুল দেখতে খুব স্মার্ট—লম্বা, ফর্সা, আর তার চোখে একটা দুষ্টু হাসি। আমরা প্রথম দেখা হয়েছিলাম আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে। সেদিন আমি মার্কেট থেকে ফিরছিলাম, হাতে ভারী ব্যাগ। রাহুল দেখে বলল, "ভাবি, দিন আমাকে, আমি তুলে দিচ্ছি।" তার গলার স্বরটা এমন মিষ্টি যে আমার হৃদয়টা কেঁপে উঠল। সেই থেকে আমাদের কথা শুরু হলো—প্রথমে হাই-হ্যালো, তারপর ছাদে দাঁড়িয়ে গল্প, আর কখনো কখনো ফোন নম্বর এক্সচেঞ্জ। আমি জানতাম না, এটা পরকীয়া প্রেমের শুরু।
একদিন বিকেলে অরিজিৎ অফিসে গেছে, মেয়ে স্কুলে। আমি বাড়িতে একা। বাইরে ঝড় উঠেছে, বিদ্যুৎ চলে গেছে। হঠাৎ দরজায় টোকা—রাহুল। সে বলল, "ভাবি, আমার ল্যাপটপটা চার্জ দিতে পারি? প্রিয়া স্কুলে, আর বিদ্যুৎ নেই।" আমি তাকে ভিতরে ডাকলাম। ঘর অন্ধকার, শুধু একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে রেখেছি। রাহুল ভিতরে এসে বসল, তার চোখ আমার দিকে। আমি একটা পাতলা নাইটি পরে ছিলাম, ভিতরে কিছু নেই। তার চাহনিতে আমার শরীরটা শিহরিয়ে উঠল। আমরা গল্প করতে শুরু করলাম—প্রথমে আবহাওয়া, তারপর তার জীবন। রাহুল বলল, "ভাবি, তুমি এত সুন্দর, অরিজিতদা কি তোমাকে সময় দেয় না?" আমি লজ্জা পেয়ে বললাম, "কী বলছো রাহুল, এসব কথা বলো না।" কিন্তু তার হাতটা আমার হাতে ছুঁয়ে গেল, আর আমি থামাতে পারলাম না।
সেই দিনই আমাদের প্রথম চুম্বন হলো। রাহুল আমাকে কাছে টেনে নিল, তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে। আমার শরীরটা জ্বলে উঠল, যেন বহু বছরের তৃষ্ণা। আমি তার শার্ট খুলে দিলাম, তার ছাতিটা চকচকে, পেশীবহুল। রাহুল আমার নাইটিটা খুলে ফেলল, আমার নগ্ন শরীর তার সামনে। সে আমার স্তন দুটো চেপে ধরল, "ভাবি, তুমি দেবী!" বলে চুমু খেল। আমি তার প্যান্ট খুলে দিলাম, তার লিঙ্গটা উঠে দাঁড়িয়েছে, লম্বা আর মোটা। আমরা সোফায় গড়িয়ে পড়লাম। রাহুল আমার যোনিতে আঙ্গুল ঢোকাল, আমি কাঁপতে কাঁপতে বললাম, "রাহুল, আস্তে..." কিন্তু সে থামল না। সে আমার উপর উঠে এল, তার লিঙ্গটা আমার যোনিতে ঢুকিয়ে দিল। প্রথম ঠাপেই আমি চিৎকার করে উঠলাম, "আহহ... রাহুল!" সে জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করল, আমার স্তন দুটো দোলাচ্ছে। আমরা ঘামে ভিজে গেলাম, তার ঠাপের তালে আমার শরীরটা নাচছে। "ভাবি, তুমি আমার!" সে বলতে বলতে আমার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। আমরা দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইলাম।
কিন্তু এটা শুরু মাত্র। পরের দিনগুলোতে আমাদের সম্পর্ক গভীর হয়ে গেল। অরিজিৎ যখন অফিসে যায়, রাহুল চলে আসে। আমরা লুকিয়ে লুকিয়ে মিলিত হই। একদিন প্রিয়া স্কুলে গেছে, রাহুল আমাকে তার বাড়িতে ডাকল। আমি গিয়ে দেখি, সে বিছানায় নগ্ন হয়ে অপেক্ষা করছে। "আজ তোমাকে নতুন করে চাই," সে বলল। আমি তার কাছে গেলাম, সে আমাকে বিছানায় ফেলে দিল। প্রথমে সে আমার পুরো শরীর চেটে দিল—ঠোঁট থেকে শুরু করে যোনি পর্যন্ত। তার জিভ আমার যোনিতে ঘুরছে, আমি আনন্দে পাগল হয়ে গেলাম, "রাহুল, আর পারছি না... ঢোকাও!" সে হেসে উঠল, তারপর আমাকে উল্টো করে শুইয়ে দিল। পেছন থেকে তার লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিল, ডগি স্টাইলে ঠাপাতে শুরু করল। তার হাত আমার স্তন চেপে ধরেছে, আমি চাদর কামড়ে ধরলাম। ঠাপের পর ঠাপ, যেন কোনো মেশিন। "ভাবি, তোমার গান্ডটা কী টাইট!" সে বলতে বলতে আরও জোরে ঠাপাল। আমরা দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছলাম, তার বীর্য আমার ভিতরে ছড়িয়ে পড়ল।
দিন যায়, আমাদের প্রেম আরও উন্মাদ হয়ে উঠল। আমরা রিস্ক নিতে শুরু করলাম। একদিন অ্যাপার্টমেন্টের ছাদে, রাতের অন্ধকারে। রাহুল আমাকে দেওয়ালে ঠেসে ধরল, আমার সাড়ি তুলে যোনিতে লিঙ্গ ঢোকাল। বাইরে বাতাস বইছে, আমি চিৎকার করতে চাইলাম কিন্তু তার মুখে হাত চাপা দিল। "শশশ... কেউ শুনবে," সে বলল। কিন্তু তার ঠাপ থামল না। আমার পা দুটো তার কোমরে জড়িয়ে ধরলাম, সে আমাকে উঠিয়ে নিয়ে ঠাপাতে লাগল। আকাশের তারা দেখতে দেখতে আমরা মিলিত হলাম। আরেকদিন, আমাদের বাড়ির কিচেনে। অরিজিৎ অফিসে, মেয়ে ঘুমিয়ে। রাহুল এসে আমাকে কিচেনের স্ল্যাবে বসিয়ে দিল, আমার পা ছড়িয়ে যোনি চাটতে শুরু করল। আমি গ্যাসের চুলায় হাত রেখে কাঁপছি, তার জিভ আমার ক্লিটোরিসে খেলছে। তারপর সে উঠে দাঁড়াল, তার লিঙ্গটা আমার মুখে ঢোকাল। আমি চুষতে শুরু করলাম, তার ডগাটা চেটে দিলাম। "ভাবি, তুমি প্রো!" সে বলল। তারপর সে আমাকে ঘুরিয়ে দাঁড় করিয়ে পেছন থেকে ঢোকাল, কিচেনের প্লেটগুলো কাঁপছে তার ঠাপে। আমরা ঘামে ভিজে, আনন্দে ভরা।
কিন্তু পরকীয়া প্রেমের ছায়া দীর্ঘায়িত হয়। প্রিয়া একদিন সন্দেহ করল, রাহুলের ফোনে আমার মেসেজ দেখে। সে রাহুলের সাথে ঝগড়া করল, কিন্তু রাহুল বলল, "প্রিয়া, তুমি বুঝবে না, রিয়া আমার জীবন।" আমার দিকে অরিজিতেরও সন্দেহ হলো, কিন্তু আমি লুকিয়ে রাখলাম। আমরা আরও সতর্ক হয়ে গেলাম। একদিন আমরা শহরের বাইরে একটা হোটেলে গেলাম, সারাদিনের জন্য। রুমে ঢুকতেই রাহুল আমাকে বিছানায় ফেলে দিল। "আজ তোমাকে সারাদিন চুদব," সে বলল। প্রথমে মিশনারি পজিশনে, তার লিঙ্গ আমার যোনিতে গভীরে ঢুকছে। আমি তার পিঠে নখ বসিয়ে দিলাম, "জোরে, রাহুল, জোরে!" তারপর কাউগার্ল—আমি তার উপর উঠে লাফাতে লাগলাম, আমার স্তন দুটো দোলছে। সে নীচে থেকে ঠাপ দিচ্ছে। তারপর ৬৯ পজিশন—আমি তার লিঙ্গ চুষছি, সে আমার যোনি চাটছে। আমরা দুজনে একসাথে অর্গাজম পেলাম। দুপুরে শাওয়ারে, জলের নীচে। রাহুল আমাকে দেওয়ালে ঠেসে ধরে পেছন থেকে চুদল, জল আমাদের শরীর ধুয়ে নিচ্ছে। সন্ধ্যায় বিছানায় আবার, এবার অ্যানাল। প্রথমে আমি ভয় পেলাম, কিন্তু সে লুব্রিকেন্ট লাগিয়ে আস্তে আস্তে ঢোকাল। "আহহ... রাহুল, ব্যথা লাগছে!" কিন্তু পরে আনন্দ হলো, তার ঠাপে আমার শরীর কাঁপছে। আমরা সারারাত মিলিত হলাম, ক্লান্ত হয়ে ঘুমালাম।
কিন্তু এই প্রেমের শেষ কোথায়? আমরা জানি, এটা ভুল, কিন্তু থামাতে পারি না। রাহুল বলে, "রিয়া, তুমি ছাড়া আমি বাঁচব না।" আমি তার বুকে মাথা রেখে বলি, "রাহুল, এটা আমাদের গোপন সুখ।" আমাদের চোদাচুদি আরও উগ্র হয়ে উঠেছে—কখনো রোলপ্লে, কখনো টয়স ব্যবহার। একদিন সে আমাকে হাতকড়া পরিয়ে চুদল, আমি তার দাসী হয়ে গেলাম। তার লিঙ্গ আমার মুখে, যোনিতে, গান্ডে—সব জায়গায়। আমরা আনন্দের চরমে পৌঁছেছি, কিন্তু ভয়ও আছে। কী হবে যদি ধরা পড়ি? তবু, এই পরকীয়া প্রেম আমাদের জীবনের আলো। এটা শেষ না হোক, চলুক এভাবেই—গোপনে, উন্মাদে, চোদাচুদির আগুনে।
### পরকীয়া প্রেমের আগুন: দ্বিতীয় অংশ
আমি রিয়া, আর আমার জীবনটা এখন রাহুলের চারপাশে ঘুরছে। সেই হোটেলের রাতের পর থেকে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে, কিন্তু সাথে ভয়ও বেড়েছে। অরিজিৎ কয়েকদিন ধরে আমাকে সন্দেহ করছে—রাতে ফোন চেক করে, হঠাৎ হঠাৎ বাড়ি ফিরে আসে। প্রিয়াও রাহুলের সাথে ঝগড়া করে, বলে, "তুমি কোনো মেয়ের সাথে জড়িয়ে পড়েছো, না?" রাহুল অস্বীকার করে, কিন্তু আমরা দুজনেই জানি, এই গোপন প্রেমটা কোনোদিন ফাঁস হয়ে যাবে। তবু, আমরা থামতে পারি না। রাহুলের ছোঁয়ায় আমার শরীর জেগে ওঠে, যেন সে আমার আত্মা চেনে। আমি তার কাছে যাই, যেন মথের মতো আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়ি।
একদিন সকালে অরিজিৎ অফিস চলে গেছে, মেয়ে স্কুলে। আমি রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চা বানাচ্ছি, হঠাৎ ফোন বাজল—রাহুল। "রিয়া, আজ প্রিয়া তার মায়ের বাড়ি গেছে, সারাদিন ফাঁকা। চলে আয় না, তোকে ছাড়া থাকতে পারছি না।" তার গলায় সেই দুষ্টু আহ্বান, আমার হৃদয়টা ধড়াস করে উঠল। আমি লজ্জা পেয়ে বললাম, "রাহুল, দিনের বেলা? যদি কেউ দেখে?" কিন্তু সে বলল, "কেউ দেখবে না, দরজা লক করে নেব। তোর শরীরটা মিস করছি, আয় না প্লিজ।" আমি না করতে পারলাম না। দরজা লক করে তার ফ্ল্যাটে গেলাম। রাহুল দরজা খুলতেই আমাকে কোলে তুলে নিল, "আজ তোকে খেয়ে ফেলব!" বলে ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। তার চুম্বন এত উগ্র যে আমার শরীরটা গলে যাচ্ছে। আমরা হলঘরে গড়িয়ে পড়লাম, কার্পেটের উপর। রাহুল আমার সাড়ি সরিয়ে দিল, ভিতরে প্যান্টি নেই—আমি আগে থেকেই প্রস্তুত। সে আমার যোনিতে মুখ দিল, জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করল। "আহহ... রাহুল, কী করছিস!" আমি তার চুল খামচে ধরলাম, তার জিভ আমার ক্লিটোরিসে ঘুরছে, চুষছে। আমার যোনি ভিজে গেছে, রস ঝরছে। সে দুটো আঙ্গুল ঢোকাল, জোরে জোরে নাড়াতে লাগল। আমি কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজম পেলাম, "রাহুল... আহহহ!" আমার রস তার মুখে ছড়িয়ে পড়ল।
রাহুল উঠে দাঁড়াল, তার প্যান্ট খুলে ফেলল। তার লিঙ্গটা উঠে দাঁড়িয়েছে, লম্বা, মোটা, শিরাগুলো ফুলে উঠেছে। "রিয়া, চোষ তো," সে বলল। আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম, তার লিঙ্গটা মুখে নিলাম। প্রথমে ডগাটা চেটে দিলাম, তারপর গভীরে ঢোকালাম। সে আমার মাথা চেপে ধরল, "জোরে চোষ, ভাবি!" আমি চুষতে লাগলাম, তার লিঙ্গটা আমার গলা পর্যন্ত ঢুকছে। তার স্বাদ নোনতা, গরম। সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "আহহ... রিয়া, তুই সেরা!" তারপর সে আমাকে তুলে দাঁড় করাল, দেওয়ালে ঠেসে ধরল। আমার একটা পা তুলে ধরে তার লিঙ্গটা আমার যোনিতে ঢোকাল। প্রথম ঠাপেই গভীরে, "আহহ... রাহুল, জোরে!" আমি চিৎকার করলাম। সে ঠাপাতে শুরু করল, জোরে জোরে, তার কোমর আমার গান্ডে ধাক্কা মারছে। আমার স্তন দুটো লাফাচ্ছে, সে একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। "রিয়া, তোর চুচিগুলো কী নরম!" তার ঠাপের তালে ঘর কাঁপছে, আমরা ঘামে ভিজে গেছি। সে আমাকে ঘুরিয়ে দিল, পেছন থেকে ঢোকাল। তার হাত আমার কোমর চেপে ধরেছে, ঠাপের পর ঠাপ। "আহহ... রাহুল, আরও জোরে চোদ!" আমি বললাম, তার লিঙ্গ আমার জি-স্পটে লাগছে। সে বলল, "তুই আমার রেন্ডি, রিয়া!" তারপর তার বীর্য আমার ভিতরে ঢেলে দিল, গরম তরল আমার যোনি ভরিয়ে দিল। আমরা দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে পড়ে রইলাম।
কিন্তু এটা শেষ নয়। দুপুরে আমরা বিছানায় গেলাম। রাহুল বলল, "আজ তোকে নতুন কিছু শেখাব।" সে তার ড্রয়ার থেকে একটা ভাইব্রেটর বের করল—লম্বা, কালো। "এটা কী?" আমি লজ্জা পেয়ে বললাম। সে হেসে বলল, "তোর জন্য সারপ্রাইজ।" সে আমাকে শুইয়ে দিল, ভাইব্রেটরটা চালু করল। প্রথমে আমার স্তনের নিপলে লাগাল, ভাইব্রেশনটা আমার শরীরে কারেন্ট দিল। "আহহ... রাহুল!" তারপর সে নীচে নামল, আমার যোনিতে লাগাল। ভাইব্রেটরটা আমার ক্লিটোরিসে ঘুরছে, আমি পাগল হয়ে গেলাম। সে আস্তে আস্তে ঢোকাল, জোরে জোরে নাড়াতে লাগল। আমার শরীর কাঁপছে, "রাহুল, প্লিজ... তোরটা ঢোকা!" সে বলল, "আরেকটু অপেক্ষা কর।" তারপর সে নিজের লিঙ্গটা আমার মুখে দিল, আমি চুষতে লাগলাম যখন ভাইব্রেটর আমার যোনিতে চলছে। আমরা ৬৯ পজিশনে গেলাম—আমি তার উপর, তার লিঙ্গ চুষছি, সে ভাইব্রেটর দিয়ে আমাকে চুদছে। আমার অর্গাজম হলো, রস ছড়িয়ে পড়ল। রাহুল উঠে এল, ভাইব্রেটর সরিয়ে তার লিঙ্গ ঢোকাল। "এবার রিয়েল চোদন," সে বলল। সে আমাকে কাউগার্ল পজিশনে তুলে নিল, আমি তার উপর লাফাতে লাগলাম। তার লিঙ্গ আমার গভীরে ঢুকছে, আমার স্তন দোলছে। সে নীচে থেকে ঠাপ দিচ্ছে, তার হাত আমার গান্ড চেপে ধরেছে। "রিয়া, জোরে লাফা!" আমি লাফাতে লাগলাম, তার লিঙ্গ আমার যোনির দেওয়ালে ঘষছে। আমরা দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্স পেলাম, তার বীর্য আমার ভিতরে ফোঁটা ফোঁটা পড়ল।
বিকেলে আমরা শাওয়ারে গেলাম। জলের নীচে দাঁড়িয়ে, রাহুল আমাকে সাবান লাগিয়ে দিচ্ছে। তার হাত আমার স্তন মাখছে, নিপল টিপছে। "রিয়া, তোর শরীরটা যেন মাখন," সে বলল। আমি তার লিঙ্গ ধরলাম, হাত দিয়ে নাড়াতে লাগলাম। সে শক্ত হয়ে গেল, আমাকে দেওয়ালে ঠেসে ধরল। পেছন থেকে ঢোকাল, জল আমাদের শরীর ধুয়ে নিচ্ছে। তার ঠাপ গরম, রিয়েল—যেন আমরা এক হয়ে গেছি। "আহহ... রাহুল, চোদ আমাকে!" আমি বললাম। সে জোরে ঠাপাতে লাগল, তার হাত আমার যোনিতে আঙ্গুল দিয়ে খেলছে। আমরা আবার অর্গাজম পেলাম, জলের সাথে মিশে গেল আমাদের রস। শাওয়ার থেকে বেরিয়ে আমরা বিছানায় শুয়ে রইলাম, তার বুকে আমার মাথা। "রিয়া, আমি তোকে ভালোবাসি। এই পরকীয়া নয়, এটা আমাদের সত্যিকারের প্রেম," সে বলল। আমি তার চোখে চোখ রেখে বললাম, "রাহুল, কিন্তু কী হবে যদি সবাই জেনে যায়? অরিজিৎ, প্রিয়া?" সে আমাকে চুমু খেয়ে বলল, "যা হবার হবে, কিন্তু তোকে ছাড়ব না।"
সন্ধ্যায় প্রিয়া ফিরে আসার আগে আমি চলে এলাম। কিন্তু আমাদের আগুন আর নেভে না। পরের দিন রাহুল আমাকে মেসেজ করল, "কাল রাতে অরিজিতদা বাইরে যাবে না? চলে আয়।" অরিজিৎ সেদিন লেট ফিরবে, তাই আমি রাহুলের বাড়ি গেলাম। এবার সে একটা নতুন খেলা শুরু করল—রোলপ্লে। "আজ তুই আমার বসের বউ, আর আমি তোর ড্রাইভার," সে বলল। আমি হেসে বললাম, "ঠিক আছে, ড্রাইভার সাহেব, আমাকে নিয়ে চলো।" সে আমাকে সোফায় বসিয়ে দিল, তারপর আমার পায়ের কাছে হাঁটু গেড়ে বসল। "ম্যাডাম, আপনার পা মালিশ করব?" বলে আমার পা চেটে দিল। তার জিভ আমার আঙ্গুল চুষছে, আমার শরীর গরম হয়ে গেল। তারপর সে উপরে উঠল, আমার সাড়ি তুলে যোনিতে মুখ দিল। "ম্যাডাম, আপনার চুটটা কী সুন্দর!" আমি তার মাথা চেপে ধরলাম, "চোষ, ড্রাইভার!" সে চাটতে লাগল, আমি অর্গাজম পেলাম। তারপর সে উঠে দাঁড়াল, "এবার ম্যাডাম, আমার লন্ড চোষো।" আমি তার লিঙ্গ মুখে নিলাম, জোরে চুষলাম। সে আমাকে তুলে বিছানায় ফেলল, "ম্যাডামকে চুদব আজ!" তার লিঙ্গ ঢোকাল, ডগি স্টাইলে ঠাপাতে লাগল। তার হাত আমার চুল ধরে টানছে, "আহহ... ম্যাডাম, তোমার গান্ডটা কী টাইট!" আমি চিৎকার করলাম, "জোরে চোদ, ড্রাইভার!" তার ঠাপ উন্মাদ, আমরা ঘামে ভিজে গেলাম। শেষে সে আমার গান্ডে ঢোকাতে চাইল। প্রথমে ব্যথা লাগল, কিন্তু লুব লাগিয়ে আস্তে ঢোকাল। "আহহ... রাহুল, আস্তে!" কিন্তু পরে আনন্দ হলো, তার ঠাপে আমার শরীর নাচছে। সে ভিতরে বীর্য ঢেলে দিল, আমরা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে রইলাম।
এই প্রেমের ফিলিংস রিয়েল—ভালোবাসা, লালসা, ভয় মিশিয়ে। রাহুল আমার জীবনের অংশ, কিন্তু কী হবে শেষে? আমরা জানি না, তবু চলছে এই গোপন চোদাচুদির খেলা। হয়তো একদিন সব শেষ হবে, কিন্তু এখন তো এই আগুনেই বাঁচি।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ধন্যবাদ! কমেন্ট বক্সে কোনো প্রকার লিংক বা খারাপ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।