### নতুন পরিচয়: আমি রিয়া, একটা উঠতি নাইকা
হ্যালো, আমার নাম রিয়া। আমি বাংলা সিনেমার জগতে নতুন এসেছি, কিন্তু আমার স্বপ্ন ছিল সবসময় স্টার হয়ে উঠা। আমার বয়স ২২, ফিগার ৩৪-২৮-৩৬, লম্বা কালো চুল আর মিষ্টি হাসি দিয়ে সবাইকে ঘায়েল করতে পারি। কলকাতার একটা ছোট গ্রাম থেকে এসে এখানে লড়াই করছি। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে ঢোকার জন্য কী কী করতে হয়, তা আমি কল্পনাও করিনি। আজ তোমাদের বলব আমার প্রথম বড় ব্রেকের গল্প, যেখানে আমি নাইকা হয়ে চোদা খেলাম – একটা হট ডিরেক্টরের কাছে, যা আমার জীবন পালটে দিল। এটা একটা সত্যি মতো গল্প, যাতে আছে লোভ, লালসা আর অসীম চোদাচুদির মজা। শুরু করি তাহলে...
### গল্প: নাইকার প্রথম চোদন-অডিশন
আমি রিয়া, কলকাতার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন। গ্রাম থেকে এসে প্রথমে মডেলিং করেছি, কয়েকটা ছোট অ্যাডে কাজ পেয়েছি। কিন্তু সত্যিকারের ব্রেক চাই। একদিন আমার এজেন্ট ফোন করল, "রিয়া, তোর জন্য একটা বড় চান্স! ডিরেক্টর রাহুল স্যারের নতুন ফিল্মে লিড রোল। অডিশন আজ রাতে, তাঁর বাড়িতে। রেডি হয়ে যা, এটা মিস করিস না!"
আমি উত্তেজিত হয়ে গেলাম। রাহুল স্যার – বাংলা সিনেমার কিং! তাঁর ফিল্ম মানে হিট গ্যারান্টি। আমি একটা টাইট রেড ড্রেস পরলাম, যাতে আমার বুকের উঁচু ভাঁজ আর পাছার কার্ভ স্পষ্ট দেখা যায়। মেকআপ করে বেরিয়ে পড়লাম। রাহুল স্যারের বাড়ি একটা বিশাল বাংলো, লেকের ধারে। দরজা খুললেন তিনি নিজে – লম্বা, হ্যান্ডসাম, বয়স ৪৫ মতো, কিন্তু ফিট বডি। "আয় রিয়া, ভিতরে আয়।" তাঁর চোখ আমার শরীরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, আমি লজ্জা পেলাম কিন্তু হাসলাম।
ভিতরে গিয়ে দেখি, লিভিং রুমে সোফা, ওয়াইনের বোতল আর ডিম লাইট। "অডিশন?" আমি জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি হেসে বললেন, "হ্যাঁ, কিন্তু এটা স্পেশাল অডিশন। ফিল্মটা রোমান্টিক থ্রিলার, অনেক ইনটিমেট সিন আছে। তোর কম্ফর্ট লেভেল দেখতে হবে।" আমি ঘাবড়ে গেলাম, কিন্তু স্বপ্নের জন্য রাজি হলাম। তিনি আমাকে সোফায় বসিয়ে ওয়াইন দিলেন। "ড্রিঙ্ক কর, রিল্যাক্স হ।"
দুই গ্লাস পর আমার মাথা ঘুরছে। রাহুল স্যার কাছে এসে বসলেন, তাঁর হাত আমার কাঁধে। "তোর ফিগার অসাধারণ, রিয়া। এই ফিল্মে তোকে নাইকা করব, কিন্তু প্রথমে প্রুভ কর যে তুই হট।" বলে তিনি আমার ঠোঁটে চুমু খেলেন। আমি অবাক হয়ে গেলাম, কিন্তু তাঁর জিভ আমার মুখে ঢুকে গেল। গভীর চুমু, তাঁর হাত আমার বুকে চলে গেল। আমার ড্রেসের উপর দিয়ে বোঁটা টিপতে লাগলেন। "আহহ... স্যার..." আমি বললাম, কিন্তু তিনি বললেন, "চুপ, এটা অডিশন।"
তিনি আমার ড্রেসের জিপ খুলে ফেললেন। আমার লাল ব্রা আর প্যান্টি বেরিয়ে পড়ল। "ওয়াও, কী মাল!" বলে তিনি আমাকে উঠিয়ে বেডরুমে নিয়ে গেলেন। বিশাল বিছানা, মিরর সিলিং। তিনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেললেন, তারপর নিজের শার্ট খুললেন। তাঁর চওড়া বুক, সিক্স প্যাক – আমি দেখে গরম হয়ে গেলাম। "আজ তোকে চুদে দেখব, তুই কতটা সেক্সি।" বলে তিনি আমার ব্রা খুলে ফেললেন। আমার ৩৪ সাইজের দুধ বেরিয়ে এল, গোলাপী বোঁটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে। তিনি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলেন, অন্যটা টিপতে। "আহহ... উম্ম... স্যার, আস্তে..." আমি কাঁপছি, কিন্তু মজা লাগছে। তাঁর দাঁত দিয়ে বোঁটা কামড়ালেন, আমি চেঁচিয়ে উঠলাম।
তারপর তিনি নিচে নামলেন। আমার প্যান্টি খুলে ফেললেন। আমার গুদটা পরিষ্কার শেভড, গোলাপী আর ভিজে। "কী সুন্দর গুদ, রিয়া। আজ এটাকে ফাটিয়ে দেব।" বলে তিনি জিভ দিয়ে চাটতে লাগলেন। আমার ক্লিটে জিভ ঘুরিয়ে, ভিতরে ঢোকাতে লাগলেন। আমি পা ছড়িয়ে দিলাম, "আহহ... চাটো স্যার... আরও..." আমার শরীর কাঁপছে, ওয়াইনের নেশায় আমি পুরো সেক্সি হয়ে গেছি। তিনি দুটো আঙুল ঢোকালেন গুদে, জোরে জোরে ফিঙ্গারিং করতে লাগলেন। "উফফ... আহহ... জোরে..." আমি কামড়ে ধরলাম বিছানার চাদর। কয়েক মিনিটে আমার প্রথম অর্গাজম হল, গুদ থেকে রস বেরিয়ে এল।
রাহুল স্যার উঠে দাঁড়ালেন, তাঁর প্যান্ট খুললেন। ওয়াও, কী বড় ল্যাওড়া! ৮ ইঞ্চি লম্বা, মোটা আর শক্ত। "চোষ এটা, রিয়া। প্রুভ কর তুই নাইকা হওয়ার যোগ্য।" আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম, ল্যাওড়াটা মুখে নিলাম। প্রথমে টিপ চুষলাম, তারপর গভীরে ঢোকালাম। তিনি আমার চুল ধরে ঠাপ দিতে লাগলেন, "গুড গার্ল... চোষ... গলা পর্যন্ত নে।" আমার মুখে তাঁর ল্যাওড়া ঢুকছে বেরোচ্ছে, আমি গ্যাগ করছি কিন্তু থামছি না। কয়েক মিনিট পর তিনি আমাকে তুলে বিছানায় ফেললেন।
"এবার চোদার পালা।" বলে তিনি আমার পা ছড়িয়ে ল্যাওড়া গুদে সেট করলেন। প্রথম ঠাপে অর্ধেক ঢুকল, আমি চেঁচিয়ে উঠলাম, "আহহ... ব্যথা লাগছে স্যার!" কিন্তু তিনি থামলেন না, জোরে ঠাপ দিয়ে পুরোটা ঢোকালেন। "উফফ... কী টাইট গুদ তোর!" তিনি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলেন, আমার দুধ দুটো লাফাচ্ছে। আমি কোমর তুলে সাপোর্ট দিচ্ছি, "চোদো স্যার... জোরে চোদো... আমাকে তোমার নাইকা বানাও।" ঘরে শুধু থাপ থাপ আওয়াজ আর আমাদের হাঁপানো। তিনি পজিশন চেঞ্জ করলেন – আমাকে ডগি স্টাইলে নিলেন। পিছন থেকে ল্যাওড়া ঢোকালেন, পাছায় চাপড় মারতে লাগলেন। "কী পাছা তোর, রিয়া... চুদে চুদে লাল করে দেব।" আমি চেঁচাচ্ছি, "হ্যাঁ... চোদো... ফাটিয়ে দাও আমার গুদ।"
আরও আধ ঘণ্টা চলল এই চোদাচুদি। তিনি আমাকে উলটো করে নিলেন, আমি উপরে উঠে রাইড করলাম। আমার দুধ লাফাচ্ছে, তিনি টিপছেন। অবশেষে তিনি বললেন, "আসছে... কোথায় ফেলব?" আমি বললাম, "ভিতরে... প্লিজ স্যার।" তিনি জোরে ঠাপ দিয়ে গুদে মাল ফেললেন। গরম রস ভরে গেল আমার গুদ। আমরা দুজনেই হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে পড়লাম।
সকালে উঠে দেখি, রাহুল স্যার বললেন, "তুই পাস, রিয়া। ফিল্মে তোর রোল। কিন্তু এটা আমাদের সিক্রেট।" আমি হেসে বললাম, "ঠিক আছে স্যার, কিন্তু আরও অডিশন চাই।" এভাবে শুরু হল আমার নাইকা জীবন – চোদা খেয়ে, মজা নিয়ে। এখন আমি স্টার, কিন্তু সেই প্রথম চোদনের স্বাদ ভুলিনি।
### নতুন পরিচয়: আমি রিয়া, উঠতি নাইকা থেকে স্টার
হ্যালো আবার, আমি রিয়া। প্রথম পর্বে তোমাদের বলেছিলাম কীভাবে আমি ডিরেক্টর রাহুল স্যারের সাথে হট অডিশনে চোদা খেয়ে আমার প্রথম লিড রোল পেলাম। এখন আমি সেই ফিল্মের শুটিং করছি, নাম "লালসার ছায়া" – একটা রোমান্টিক থ্রিলার, যাতে অনেক ইনটিমেট সিন। আমার কো-অ্যাক্টর অর্জুন, একটা হ্যান্ডসাম হিরো, বয়স ২৮, মাসকুলার বডি আর চোখে দুষ্টু হাসি। কিন্তু শুটিংয়ের পিছনে যা ঘটল, তা ফিল্মের স্ক্রিপ্টের চেয়ে অনেক হট। আজ তোমাদের বলব পরের পর্ব – কীভাবে আমি সেটে অর্জুনের সাথে চোদাচুদি করে নতুন লেভেলের মজা পেলাম, আর প্রডিউসারের সাথে একটা গ্রুপ সেক্সে জড়িয়ে পড়লাম। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে ওয়াইল্ড অ্যাডভেঞ্চার, ভরা লোভ, জেলাসি আর অসীম চোদনের আগুনে। শুরু করি...
### গল্প: নাইকার সেটে চোদন-যুদ্ধ
ফিল্মের শুটিং শুরু হয়েছে কলকাতার একটা স্টুডিওতে। প্রথম দিন আমি নার্ভাস, কিন্তু রাহুল স্যারের সেই রাতের চোদনের পর আমার কনফিডেন্স বেড়েছে। আমার কো-অ্যাক্টর অর্জুন এসে পরিচয় করল, "হাই রিয়া, তোমার সাথে কাজ করতে ভালো লাগবে। তুমি দেখতে অসাধারণ।" তাঁর চোখ আমার টাইট টপ আর শর্ট স্কার্টে ঘুরছে, আমি হেসে বললাম, "থ্যাঙ্কস অর্জুন, তোমার সাথে রোমান্স সিন করতে উত্তেজিত।"
প্রথম সিনটা একটা বেডরুম সিন – আমরা দুজন চুমু খাচ্ছি। ক্যামেরা রোল হলে অর্জুন আমাকে জড়িয়ে ধরল, ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে গভীর চুমু। কিন্তু সেটা শুধু অ্যাকটিং নয়, তাঁর হাত আমার পিঠে নেমে পাছায় চাপ দিল। আমি ফিল করলাম তাঁর ল্যাওড়া শক্ত হয়ে আমার পেটে ঘষছে। "কাট!" রাহুল স্যার বললেন, কিন্তু অর্জুন থামল না, আমার কানে ফিসফিস করে বলল, "রিয়া, তোমার শরীর আমাকে পাগল করছে। আজ রাতে মিট করি?"
শুটিংয়ের পর আমি অর্জুনের সাথে তার ভ্যানে গেলাম। "প্র্যাকটিস করি সিনটা," বলে তিনি দরজা লক করলেন। আমি হেসে বললাম, "প্র্যাকটিস মানে?" তিনি আমাকে টেনে নিয়ে চুমু খেলেন, হাত টপের ভিতর ঢোকালেন। আমার ব্রা খুলে দুধ দুটো বের করে নিলেন। "কী সুন্দর দুধ তোমার, রিয়া।" বলে একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলেন। আমি আহহ করে উঠলাম, তাঁর চুল ধরে। অন্য হাত দিয়ে তিনি আমার স্কার্ট উঠিয়ে প্যান্টিতে হাত দিলেন। "ভিজে গেছো দেখছি," বলে আঙুল ঢোকালেন গুদে। আমি কাঁপছি, "অর্জুন... জোরে... ফিঙ্গার করো।"
তিনি আমাকে সিটে শুইয়ে দিলেন, প্যান্টি খুলে ফেললেন। আমার গুদটা দেখে বললেন, "পারফেক্ট, আজ এটাকে চাটব।" তাঁর জিভ আমার ক্লিটে লাগল, চাটতে চাটতে দুটো আঙুল ঢোকালেন। আমি পা ছড়িয়ে দিলাম, "আহহ... চাটো... ভিতরে জিভ ঢোকাও।" মিনিট পাঁচেক পর আমার অর্গাজম হল, রস বেরিয়ে এল। অর্জুন উঠে প্যান্ট খুললেন – তাঁর ল্যাওড়া ৭ ইঞ্চি, মোটা আর ভেইনি। "চোষো এটা," বলে আমার মুখে ঢোকালেন। আমি চুষতে লাগলাম, গভীরে নিয়ে গ্যাগ করছি। তিনি আমার মাথা ধরে ঠাপ দিতে লাগলেন, "গুড... চোষো রিয়া... তুমি সত্যি হট নাইকা।"
তারপর তিনি আমাকে উঠিয়ে ল্যাপে বসালেন। ল্যাওড়া গুদে সেট করে বললেন, "রাইড করো।" আমি কোমর নাড়িয়ে উপর-নিচ করতে লাগলাম, তাঁর ল্যাওড়া ভিতরে ঢুকছে বেরোচ্ছে। "আহহ... জোরে... চোদো আমাকে অর্জুন।" তিনি নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছেন, আমার দুধ টিপছেন। ভ্যানটা কাঁপছে, আমাদের হাঁপানো শোনা যাচ্ছে। হঠাৎ দরজায় নক – রাহুল স্যার! "কী হচ্ছে এখানে?" তিনি ভিতরে ঢুকে দেখলেন আমাদের। আমি লজ্জায় মুখ ঢাকলাম, কিন্তু অর্জুন হাসল, "স্যার, জয়েন করুন। রিয়া সবাইকে হ্যান্ডেল করতে পারে।"
রাহুল স্যার অবাক, কিন্তু তাঁর চোখে লালসা। "ঠিক আছে, এটা আমাদের সিক্রেট।" বলে তিনি প্যান্ট খুললেন। তাঁর ৮ ইঞ্চি ল্যাওড়া আবার দেখে আমি গরম হয়ে গেলাম। অর্জুন আমাকে ডগি স্টাইলে নিলেন, পিছন থেকে চুদতে লাগলেন। রাহুল স্যার আমার মুখে ল্যাওড়া ঢোকালেন। আমি একসাথে দুটো ল্যাওড়া হ্যান্ডেল করছি – পিছনে অর্জুনের ঠাপ, সামনে রাহুলের চোষানো। "আহহ... চোদো... দুজনে মিলে ফাটিয়ে দাও আমার গুদ।" আমি চেঁচাচ্ছি। রাহুল বললেন, "তুমি সত্যি স্টার ম্যাটেরিয়াল, রিয়া।"
তারপর পজিশন চেঞ্জ – আমি অর্জুনের উপর উঠলাম, তাঁর ল্যাওড়া গুদে। রাহুল পিছন থেকে আমার পাছায় ল্যাওড়া ঢোকালেন। "আহহ... না... ব্যথা!" আমি বললাম, কিন্তু তাঁরা থামল না। দুটো ল্যাওড়া একসাথে আমার ভিতরে, ডাবল পেনিট্রেশন। "উফফ... জোরে... চোদো দুজনে।" আমার শরীর কাঁপছে, মজায় পাগল। অর্জুন আমার দুধ চুষছে, রাহুল পাছায় চাপড় মারছে। আধ ঘণ্টা চলল এই গ্রুপ চোদাচুদি। প্রথমে অর্জুন গুদে মাল ফেলল, গরম রস ভরে গেল। তারপর রাহুল পাছায় ফেললেন। আমি তিনবার অর্গাজম করলাম, শরীর অবশ।
শুটিংয়ের পরদিন রাহুল স্যার বললেন, "রিয়া, এটা আমাদের টিম ওয়ার্ক। ফিল্ম হিট হবে।" অর্জুন চোখ মারল, "আরও প্র্যাকটিস চাই।" আমি হেসে বললাম, "যখন খুশি।" এভাবে আমার নাইকা জীবন চলছে – চোদা খেয়ে, মজা নিয়ে, স্টার হয়ে। কিন্তু পরের পর্বে আরও টুইস্ট আছে, প্রডিউসারের পার্টিতে একটা অর্গি!
### নতুন পরিচয়: আমি রিয়া, স্টার নাইকা এবং চোদনের রানী
হ্যালো সবাই, আমি রিয়া আবার। আগের দুটো পর্বে তোমাদের বলেছিলাম কীভাবে আমি গ্রামের মেয়ে থেকে বাংলা ফিল্মের স্টার হয়েছি – প্রথমে ডিরেক্টর রাহুল স্যারের হট অডিশনে চোদা খেয়ে, তারপর সেটে কো-অ্যাক্টর অর্জুন এবং রাহুলের সাথে গ্রুপ চোদাচুদিতে জড়িয়ে। এখন ফিল্ম "লালসার ছায়া" রিলিজের কাছে, আর আমি ইন্ডাস্ট্রির হটেস্ট নাইকা। কিন্তু স্টার হয়ে থাকার জন্য আরও অনেক কিছু করতে হয়। আজ তোমাদের বলব শেষ পর্ব – প্রডিউসারের প্রাইভেট পার্টিতে একটা বিশাল অর্গি, যেখানে আমি সবাইকে চোদা খেয়ে আমার পজিশন সিকিউর করলাম। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে ওয়াইল্ড নাইট, ভরা লোভ, লালসা, জেলাসি আর অসীম চোদনের আগুনে। এরপর গল্প শেষ, কিন্তু আমার জীবন তো চলতেই থাকবে। শুরু করি...
### গল্প: নাইকার অর্গি-পার্টি এবং চোদনের ফাইনাল
ফিল্মের শুটিং শেষ হয়েছে, এখন প্রমোশনের সময়। প্রডিউসার বিজয় স্যার – একটা ধনী, পাওয়ারফুল লোক, বয়স ৫০ মতো, কিন্তু পার্টি করার জন্য ফেমাস। তিনি একটা প্রাইভেট পার্টি অ্যারেঞ্জ করলেন তাঁর বিশাল ভিলায়, কলকাতার আউটস্কার্টে। "রিয়া, তুমি মাস্ট কাম। এটা তোমার ফিউচারের জন্য ইম্পর্ট্যান্ট," বলে রাহুল স্যার আমাকে ইনভাইট করলেন। আমি জানি এটা শুধু পার্টি নয়, ইন্ডাস্ট্রির নেটওয়ার্কিং – চোদাচুদির মাধ্যমে। আমি একটা সেক্সি ব্ল্যাক গাউন পরলাম, যাতে আমার ক্লিভেজ আর পাছার কার্ভ ফুটে উঠেছে। ভিতরে কোনো ব্রা-প্যান্টি নেই, রেডি ফর অ্যাকশন।
ভিলায় পৌঁছে দেখি, পুলসাইড পার্টি। লাইটস, মিউজিক, ওয়াইন আর সেক্সি মেয়েরা। বিজয় স্যার আমাকে ওয়েলকাম করলেন, "রিয়া, তুমি তো ফিল্মের হাইলাইট। আজ তোমাকে স্পেশাল ট্রিট দেব।" তাঁর চোখ আমার বুকে আটকে। সেখানে রাহুল স্যার, অর্জুন, আরও দুটো হিরো – রাজ আর সোহন, আর কয়েকটা নতুন নাইকা। সবাই ড্রিঙ্ক করছে, ডান্স করছে। আমি ওয়াইন নিয়ে জয়েন করলাম। অর্জুন কাছে এসে বলল, "রিয়া, আজ আবার তোমাকে চুদব।" আমি হেসে বললাম, "দেখি কতটা পারো।"
পার্টি গরম হয়ে উঠল। বিজয় স্যার বললেন, "লেটস প্লে অ্যা গেম – ট্রুথ অর ডেয়ার, কিন্তু অ্যাডাল্ট ভার্সন।" সবাই সার্কেলে বসলাম। প্রথমে রাজকে ডেয়ার – আমাকে চুমু খাও। রাজ এসে আমার ঠোঁটে গভীর চুমু খেল, জিভ ঢোকাল। আমি রেসপন্ড করলাম, সবাই চিয়ার করছে। তারপর আমার টার্ন – ডেয়ার: গাউন খোলো। আমি হেসে উঠে দাঁড়ালাম, গাউন খুলে ফেললাম। নেকেড! আমার ৩৪-২৮-৩৬ ফিগার সবার সামনে, দুধের বোঁটা শক্ত, গুদটা ভিজে। সবাই ওয়াও বলে উঠল। বিজয় স্যার বললেন, "পারফেক্ট বডি, রিয়া।"
গেমটা কনটিনিউ হল, কিন্তু শীঘ্রই অর্গিতে পরিণত হল। অর্জুন আমাকে টেনে নিয়ে পুলে ফেলল, "আজ তোমাকে সবাই মিলে চুদব।" জলে আমরা চুমু খাচ্ছি, তাঁর হাত আমার গুদে। রাহুল স্যার জয়েন করলেন, আমার দুধ চুষতে লাগলেন। রাজ আর সোহনও এল, তাঁরা নেকেড হয়ে গেছে। বিজয় স্যার দেখছেন, তাঁর ল্যাওড়া শক্ত। আমি পুলের ধারে বসলাম, পা ছড়িয়ে। অর্জুন আমার গুদ চাটতে লাগল, জিভ ভিতরে ঢোকাতে। "আহহ... চাটো... জোরে..." আমি বলছি। রাহুল আমার মুখে ল্যাওড়া ঢোকালেন, আমি চুষছি। রাজ আমার একটা দুধ টিপছে, সোহন অন্যটা চুষছে।
তারপর বিজয় স্যার এলেন, তাঁর ল্যাওড়া সবচেয়ে বড় – ৯ ইঞ্চি মতো, মোটা। "রিয়া, তোমার গুদ আমার।" বলে তিনি অর্জুনকে সরিয়ে ল্যাওড়া ঢোকালেন। প্রথম ঠাপে অর্ধেক ঢুকল, আমি চেঁচিয়ে উঠলাম, "আহহ... স্যার... আস্তে... ফাটিয়ে দিচ্ছেন!" কিন্তু তিনি জোরে ঠাপ দিয়ে পুরোটা ঢোকালেন। "কী টাইট গুদ তোর, রিয়া। আজ ফাটিয়ে দেব।" তিনি জোরে জোরে চুদতে লাগলেন, আমার দুধ লাফাচ্ছে। অর্জুন আমার পাছায় আঙুল ঢোকাল, "এবার ডাবল।" বলে তাঁর ল্যাওড়া পাছায় ঢোকালেন। দুটো ল্যাওড়া একসাথে – গুদে বিজয়, পাছায় অর্জুন। "উফফ... চোদো... দুজনে মিলে ছিড়ে ফেলো আমাকে।" আমি কাঁপছি, মজায় পাগল।
রাহুল আমার মুখে চুদছে, রাজ আর সোহন আমার হাতে তাঁদের ল্যাওড়া দিয়েছে, আমি হ্যান্ডজব করছি। সবাই মিলে আমাকে চুদছে – একটা ফুল অর্গি। পজিশন চেঞ্জ হল: আমি বিজয় স্যারের উপর উঠলাম, তাঁর ল্যাওড়া গুদে নিয়ে রাইড করছি। রাহুল পিছন থেকে পাছায় ঢোকালেন। অর্জুন আমার মুখে, রাজ আর সোহন দুধ চুষছে। "আহহ... জোরে... সবাই চোদো... আমি তোমাদের স্লাট।" ঘরে শুধু থাপ থাপ আওয়াজ, হাঁপানো আর চেঁচানো। আমার শরীর ঘামে ভিজে, গুদ আর পাছা ফুলে উঠেছে।
আরও এক ঘণ্টা চলল এই চোদাচুদি। প্রথমে রাজ আমার মুখে মাল ফেলল, আমি গিলে ফেললাম। তারপর সোহন আমার দুধে ফেলল, গরম রস লেপ্টে গেল। অর্জুন পাছায় ফেলল, রাহুল গুদে। অবশেষে বিজয় স্যার বললেন, "রিয়া, তোমার ভিতরে ফেলব।" জোরে ঠাপ দিয়ে গুদে মাল ঢেলে দিলেন। আমি চার-পাঁচবার অর্গাজম করলাম, শরীর অবশ হয়ে পড়লাম পুলের ধারে। সবাই হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে।
সকালে উঠে বিজয় স্যার বললেন, "রিয়া, তুমি আমার ফেভারিট। পরের ফিল্মে তোমাকে লিড। কিন্তু এটা সিক্রেট।" আমি হেসে বললাম, "ঠিক আছে স্যার, কিন্তু আরও পার্টি চাই।" এভাবে আমার নাইকা জীবন শেষ হয় না, কিন্তু এই গল্পের শেষ এখানে। আমি এখন স্টার, চোদা খেয়ে উপরে উঠেছি, আর মজা নিয়েছি।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ধন্যবাদ! কমেন্ট বক্সে কোনো প্রকার লিংক বা খারাপ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।