বেlনের কাছে ধরা খেলাম

 বোনের কাছে ধরা খেলাম


আমার নাম অভি, বয়স ২২। আমি কলেজে পড়ি, আর বাড়িতে থাকি আমার বাবা-মা আর ছোট বোনের সাথে। আমার বোনের নাম সোনালী, বয়স ১৯। সোনালী দেখতে খুবই সুন্দরী, ফর্সা গায়ের রং, লম্বা চুল, আর ফিগারটা এমন যে কোনো ছেলে দেখলে চোখ ফেরাতে পারবে না। ওর বুকটা বেশ বড়সড়, কোমরটা সরু, আর পাছাটা গোলাকার। আমরা দুজনেই একসাথে বড় হয়েছি, কিন্তু লাস্ট কয়েক মাস ধরে আমি ওকে অন্য চোখে দেখতে শুরু করেছি। বাড়িতে যখন ও শর্টস আর টপ পরে ঘুরে বেড়ায়, তখন আমার মনে নানা খারাপ চিন্তা আসে। আমি জানি এটা ঠিক না, কিন্তু কন্ট্রোল করতে পারি না।


আমাদের বাড়িটা দোতলা, উপরে আমার আর সোনালীর রুম আলাদা আলাদা। বাবা-মা নিচে থাকেন। আমি প্রায়ই রাতে পর্ন দেখি, আর নিজেকে সামলাই। কিন্তু একদিন সবকিছু বদলে গেল। সেদিন ছিল গরমের দিন, বিকেলে বাড়িতে কেউ ছিল না। বাবা-মা অফিসে, সোনালী কলেজে। আমি ভাবলাম এটা ভালো সুযোগ, ল্যাপটপ খুলে একটা হট ভিডিও চালালাম। ভিডিওতে একটা মেয়ে তার ভাইয়ের সাথে... উফ, সেই সিন দেখে আমার শরীর গরম হয়ে গেল। আমি প্যান্ট খুলে নিজেকে ছুঁয়ে দেখতে লাগলাম। আমার ধোনটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে, আমি চোখ বন্ধ করে কল্পনা করছি সোনালীকে।


হঠাৎ দরজা খোলার আওয়াজ হল। আমি চমকে উঠলাম, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। সোনালী দাঁড়িয়ে আছে দরজায়, ওর চোখ বড় বড়। ও আজ তাড়াতাড়ি ফিরেছে কলেজ থেকে। "দাদা, তুমি কী করছ?" ওর গলা কাঁপছে, কিন্তু চোখটা আমার ধোনের দিকে। আমি তাড়াতাড়ি চাদর দিয়ে ঢেকে ফেললাম, কিন্তু লজ্জায় মরে যাচ্ছি। "সোনালী, তুই... তুই কখন এলি? দরজা নক করিসনি কেন?" আমি বললাম, গলা শুকিয়ে গেছে।


সোনালী ভিতরে এসে দরজা বন্ধ করে দিল। ওর মুখ লাল হয়ে গেছে, কিন্তু ও হাসছে না, বরং কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে আছে। "দাদা, তুমি পর্ন দেখছিলে? আর... আর নিজেকে...?" ও কথা শেষ করতে পারল না। আমি মাথা নিচু করে বললাম, "সরি, তুই কাউকে বলিস না প্লিজ। এটা... এটা আমার ভুল।" কিন্তু সোনালী এগিয়ে এসে বিছানায় বসল। "দাদা, আমি জানি ছেলেরা এসব করে। কিন্তু তুমি কী কল্পনা করছিলে? ভিডিওতে কী ছিল?" ওর প্রশ্ন শুনে আমি অবাক। সোনালী এত খোলামেলা কথা বলছে কেন?


আমি চুপ করে রইলাম। সোনালী হাত বাড়িয়ে চাদরটা সরিয়ে দিল। আমার ধোনটা এখনও অর্ধেক শক্ত। "ওয়াও, দাদা, এটা তো বেশ বড়।" ও বলল, আর ছুঁয়ে দেখল। আমি শক পেয়ে গেলাম। "সোনালী, কী করছিস? আমরা ভাই-বোন!" কিন্তু ওর হাতের ছোঁয়ায় আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। সোনালী বলল, "দাদা, আমি অনেকদিন ধরে তোমাকে দেখি। তুমি যখন আমার দিকে তাকাও, আমি বুঝি। আমিও... আমিও তোমাকে চাই।" ওর কথা শুনে আমার মাথা ঘুরে গেল। এটা কী হচ্ছে?


সোনালী উঠে দাঁড়িয়ে ওর টপ খুলে ফেলল। ওর ব্রা-পরা বুকটা দেখে আমার ধোন আবার শক্ত হয়ে গেল। ওর বুকটা ৩৪ সাইজের মতো, গোল গোল। ও ব্রা খুলে ফেলল, আর আমার সামনে ওর নগ্ন বুক। "দাদা, ছোঁয়ো না?" ও বলল। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না, ওকে টেনে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। ওর বুক চুষতে শুরু করলাম, একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষছি, অন্যটা হাতে টিপছি। সোনালী আহ আহ করে উঠছে, "দাদা, আরও জোরে... উফ, ভালো লাগছে।"


আমি ওর প্যান্ট খুলে ফেললাম। ওর প্যান্টির নিচে ওর যোনি ভিজে গেছে। আমি আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে দেখলাম, গরম আর পিচ্ছিল। সোনালী বলল, "দাদা, আমি ভার্জিন, কিন্তু তোমাকে চাই। ঢোকাও।" আমি কনডম ছাড়াই ওর উপর উঠলাম। আমার ধোনটা ওর যোনির মুখে রাখলাম, আস্তে আস্তে ঢোকাতে লাগলাম। সোনালী চিৎকার করে উঠল, "আহ দাদা, ব্যথা লাগছে!" কিন্তু আমি থামলাম না, পুরোটা ঢুকিয়ে দিলাম। রক্ত বেরিয়ে এল, কিন্তু ও আমাকে জড়িয়ে ধরল। "এখন ঠেলো দাদা, জোরে।"


আমি ঠাপাতে শুরু করলাম, জোরে জোরে। ওর যোনি টাইট, আমার ধোনটা আটকে যাচ্ছে। সোনালী নখ দিয়ে আমার পিঠ আঁচড়াচ্ছে, "দাদা, আরও জোরে... উফ, আমাকে চোদো।" আমি ওর ঠোঁট চুষছি, বুক টিপছি, আর ঠাপ মারছি। ঘরে শুধু আমাদের শ্বাস আর ঠাপের আওয়াজ। মিনিট পাঁচেক পর আমার মাল বেরিয়ে গেল ওর ভিতরে। সোনালীও কাঁপতে কাঁপতে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল।


আমরা দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইলাম। সোনালী বলল, "দাদা, এটা আমাদের সিক্রেট। কিন্তু আরও চাই।" আমি হাসলাম, "হ্যাঁ, যতদিন পারি।" কিন্তু সেদিনের পর থেকে আমরা লুকিয়ে লুকিয়ে মিলিত হই। রাতে যখন বাবা-মা ঘুমিয়ে যায়, সোনালী আমার রুমে চলে আসে। একবার তো বাথরুমে শাওয়ারের নিচে করেছি। ওর শরীরটা জল দিয়ে ভেজা, আমি ওকে দেয়ালে ঠেকিয়ে পেছন থেকে ঢোকালাম। ওর পাছা টিপতে টিপতে ঠাপ মারছি, ও মুখ চেপে আওয়াজ করছে।


আরেকদিন, বাড়িতে কেউ নেই, আমরা লিভিং রুমে। সোনালী নগ্ন হয়ে সোফায় বসে, আমি ওর যোনি চাটছি। ওর রস বেরিয়ে আসছে, আমি জিভ দিয়ে চেটে নিচ্ছি। "দাদা, তোমার জিভটা ম্যাজিক।" ও বলছে। তারপর ও আমার ধোন চুষল, প্রথমবার। ওর মুখ গরম, আমি ওর মাথা চেপে ধরে ঢোকাচ্ছি। শেষে মুখেই মাল ফেললাম, ও গিলে ফেলল।


কিন্তু একদিন আবার ধরা পড়ার মতো হল। আমরা আমার রুমে করছি, সোনালী উপরে উঠে লাফাচ্ছে আমার ধোনের উপর। হঠাৎ দরজা খুলল, মা দাঁড়িয়ে। না, না, সেটা স্বপ্ন ছিল। আসলে আমরা সতর্ক। কিন্তু এই ভয়ে আরও এক্সাইটমেন্ট বাড়ে। সোনালী এখন আমার গার্লফ্রেন্ডের মতো, কিন্তু সিক্রেট। আমরা জানি এটা ট্যাবু, কিন্তু স্টপ করতে পারি না। প্রতিদিন নতুন নতুন পজিশন ট্রাই করি, ৬৯, ডগি, কাউগার্ল। ওর যোনি এখন আমার ধোনের সাইজে অভ্যস্ত, কিন্তু প্রতিবারই নতুন ফিল।


একবার তো ওর ফ্রেন্ড রিয়া এসেছিল বাড়িতে। রিয়া দেখতে সেক্সি, কিন্তু আমি সোনালীকে ছাড়া অন্য কাউকে চাই না। কিন্তু সোনালী বলল, "দাদা, রিয়াকে দেখে তোমার কী হয়?" আমি হাসলাম, "না, তুইই বেস্ট।" তারপর ও রাগ করে আমাকে চুমু খেল। আমাদের সম্পর্ক এখন গভীর, শুধু সেক্স না, লাভও। কিন্তু সমাজ জানলে কী হবে? আমরা চিন্তা করি না, এখন তো ভালো আছি।


এই গল্পটা আমার জীবনের সত্যি ঘটনা মনে হয়, কিন্তু আসলে কল্পনা। কিন্তু যদি হয়? উফ, থিঙ্কিং অ্যাবাউট ইট মেকস মি হট।


বোনের কাছে ধরা খেলাম - পর্ব ২


আমার নাম অভি, আর আমার বোন সোনালী। প্রথমবারের পর থেকে আমাদের মধ্যে যা শুরু হয়েছে, তা থামানোর কোনো উপায় নেই। সেই দিনের পর প্রায় প্রতিরাতেই আমরা লুকিয়ে মিলিত হই। বাড়িতে বাবা-মা থাকলে তো আরও রোমাঞ্চ। সোনালী এখন আরও খোলামেলা হয়ে গেছে, ওর চোখে একটা দুষ্টুমি থাকে যখন আমাকে দেখে। আমি কলেজ থেকে ফিরলে ও ইচ্ছে করে শর্ট ড্রেস পরে ঘুরে বেড়ায়, যাতে ওর পা আর পাছার কার্ভ দেখা যায়। আমি সহ্য করতে পারি না, কিন্তু বাড়িতে লোক থাকায় চুপ করে থাকি।


একদিন সন্ধ্যায় বাবা-মা বাইরে গেলেন কোনো পার্টিতে, ফিরতে রাত হবে। আমরা দুজনেই জানি কী হবে। সোনালী রান্নাঘরে ছিল, আমি পেছন থেকে গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরলাম। ওর কোমরে হাত রেখে ঘাড়ে চুমু খেলাম। "দাদা, এখন না... রান্না করছি।" ও বলল, কিন্তু গলায় হাসি। আমি ওর ড্রেসের উপর দিয়ে বুক টিপলাম, ওর নিপল শক্ত হয়ে গেছে। "তোর রান্না পরে হবে, আগে আমার ক্ষিধে মেটা।" আমি বললাম, আর ওকে ঘুরিয়ে কিস করতে শুরু করলাম। ওর ঠোঁট নরম, জিভ দিয়ে খেলছি। সোনালী আমার প্যান্টের উপর দিয়ে ধোন ছুঁয়ে দেখল, "উফ দাদা, এটা তো আগুনের মতো গরম।"


আমি ওকে কোলে তুলে লিভিং রুমে নিয়ে গেলাম। সোফায় শুইয়ে দিয়ে ওর ড্রেস তুলে ফেললাম। ও প্যান্টি পরেনি, সরাসরি ওর যোনি দেখা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে ভিজে গেছে। আমি মুখ নামিয়ে চাটতে শুরু করলাম। ওর ক্লিট চুষছি, আঙুল দিয়ে ভিতরে ঢোকাচ্ছি। সোনালী পা ছড়িয়ে দিয়ে মাথা চেপে ধরল, "দাদা, জিভ দিয়ে আরও গভীরে... আহ, তোমার জিভটা আমাকে পাগল করে দেয়।" ওর রস বেরিয়ে আসছে, আমি চেটে নিচ্ছি। ও কাঁপতে কাঁপতে প্রথমবার ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল, ওর যোনি সংকুচিত হয়ে আমার আঙুল চেপে ধরল।


এবার ও আমার পালা। সোনালী উঠে বসে আমার প্যান্ট খুলে ফেলল। আমার ধোনটা বেরিয়ে এল, ৭ ইঞ্চির মতো লম্বা, শিরা ফুলে উঠেছে। ও হাত দিয়ে নেড়ে বলল, "দাদা, এটা আমার ফেভারিট।" তারপর মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। ওর মুখ গরম আর ভেজা, জিভ দিয়ে টিপ চাটছে। আমি ওর চুল ধরে ঢোকাচ্ছি, গভীরে। "গিল তো সোনালী, পুরোটা নে।" ও চোখ তুলে তাকাল, আর গভীরে নিল। আমি সহ্য করতে পারছি না, কিন্তু থামালাম না। মিনিট দুয়েক পর আমি ওর মুখ থেকে বের করে নিলাম, "এখন ঢোকাব।"


আমি ওকে সোফায় হাঁটু গেড়ে বসিয়ে পেছন থেকে ঢোকালাম। ডগি স্টাইল, ওর পাছা গোল গোল, টিপতে টিপতে ঠাপ মারছি। প্রতিটা ঠাপে ওর যোনি আমার ধোন গিলে নিচ্ছে, পচ পচ আওয়াজ হচ্ছে। সোনালী চাদর কামড়ে ধরে বলছে, "দাদা, জোরে... আরও জোরে চোদো আমাকে। তোমার বোনকে চুদে দাও।" আমি ওর চুল ধরে টেনে ঠাপাচ্ছি, ওর বুক দুলছে। হঠাৎ ওর ফোন বাজল, স্ক্রিনে মায়ের নাম। আমরা থমকে গেলাম। "রিসিভ কর, কথা বল।" আমি বললাম, আর ঠাপ চালিয়ে গেলাম আস্তে আস্তে।


সোনালী ফোন তুলল, "হ্যালো মা... হ্যাঁ, আমরা ঠিক আছি।" ওর গলা কাঁপছে, আমি পেছন থেকে ঢোকাচ্ছি। মা বললেন, "কী করছিস? গলা এমন লাগছে কেন?" সোনালী বলল, "কিছু না মা, একটু ব্যায়াম করছি।" আমি হাসলাম, আর জোরে একটা ঠাপ দিলাম। ও আহ করে উঠল, কিন্তু কাভার করে বলল, "আচ্ছা মা, ফিরো তাড়াতাড়ি।" ফোন রেখে ও বলল, "দাদা, তুমি পাগল? যদি শুনত?" কিন্তু ওর চোখে উত্তেজনা। আমি ওকে ঘুরিয়ে উপরে তুললাম, কাউগার্ল পজিশন। ও লাফাতে শুরু করল আমার ধোনের উপর, ওর বুক আমার মুখের সামনে দুলছে। আমি চুষছি, টিপছি। "সোনালী, তোর যোনি এত টাইট, উফ।" ও বলল, "দাদা, তোমার জন্যই তো। মাল ফেলো ভিতরে।"


আমরা দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম। আমার মাল ওর যোনিতে ঢেলে দিলাম, ও কাঁপতে কাঁপতে নেমে পড়ল। আমরা হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইলাম। কিন্তু এটা শেষ না। রাতে বাবা-মা ফিরলে আমরা নিজের রুমে। কিন্তু মাঝরাতে সোনালী আমার রুমে চলে এল। "দাদা, ঘুমোওনি তো?" ও বলল, আর বিছানায় উঠল। এবার আমরা ৬৯ পজিশন। আমি ওর যোনি চাটছি, ও আমার ধোন চুষছে। ওর রস আমার মুখে, আমার প্রিকাম ওর মুখে। আমি আঙুল দিয়ে ওর পাছার ছিদ্র ছুঁয়ে দেখলাম, ও চমকে উঠল। "দাদা, ওখানে না..." কিন্তু আমি আস্তে আস্তে আঙুল ঢোকালাম। ও ব্যথা পেল, কিন্তু বলল, "ঠিক আছে, ট্রাই করো।"


আমি লুব্রিকেন্ট নিয়ে এলাম (আমার ড্রয়ারে রাখা), ওর পাছায় লাগিয়ে আস্তে আস্তে ধোন ঢোকাতে শুরু করলাম। সোনালী চাদর কামড়ে ধরল, "আহ দাদা, ব্যথা... কিন্তু থামো না।" পুরোটা ঢুকিয়ে আমি ঠাপাতে শুরু করলাম। ওর পাছা টাইট, আমার ধোন চেপে ধরেছে। "সোনালী, এটা অ্যামেজিং।" ও বলল, "দাদা, তোমার সাথে সবকিছু চাই। জোরে করো।" আমি ঠাপ মারছি, ও নিজে যোনিতে আঙুল দিয়ে খেলছে। শেষে আমি ওর পাছায় মাল ফেললাম। ও ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেল।


পরের দিন সকালে আমরা স্বাভাবিক ভাব করছি, কিন্তু ওর চলায় একটা খোঁড়ানো। মা জিজ্ঞাসা করলেন, "কী হয়েছে সোনালী?" ও বলল, "জিমে পড়ে গেছি।" আমি হাসি চাপলাম। কিন্তু উত্তেজনা আরও বাড়ল যখন ওর ফ্রেন্ড তানিয়া এল বাড়িতে। তানিয়া দেখতে হট, লম্বা, ফিগার ৩৪-২৮-৩৬। সোনালী আর তানিয়া রুমে গিয়ে কথা বলছে, আমি বাইরে থেকে শুনলাম তানিয়া বলছে, "তোর কোনো বয়ফ্রেন্ড আছে? সেক্স করেছিস?" সোনালী হাসল, "হ্যাঁ, কিন্তু সিক্রেট।" তানিয়া বলল, "বল না, কে?" সোনালী বলল, "দাদা।" তানিয়া অবাক, "কী? তোর ভাই? উফ, হট লাগছে। আমিও জয়েন করব?"


আমি শুনে শক পেলাম। সোনালী দরজা খুলে আমাকে ডাকল, "দাদা, ভিতরে আয়।" আমি গেলাম, তানিয়া লজ্জা পেয়ে তাকিয়ে আছে। সোনালী বলল, "তানিয়া জানতে চায় আমাদের সিক্রেট। শো করব?" তানিয়া বলল, "প্লিজ, আমি দেখব।" আমরা তিনজনে শুরু করলাম। প্রথমে আমি সোনালীকে কিস করছি, তানিয়া দেখছে। তারপর তানিয়া বলল, "আমাকেও।" আমি তানিয়াকে কিস করলাম, ওর বুক টিপলাম। সোনালী ওর কাপড় খুলে ফেলল, তানিয়াও। দুজনের নগ্ন শরীর, আমার ধোন ফুলে উঠেছে।


আমি সোনালীকে শুইয়ে ঢোকালাম, তানিয়া ওর বুক চুষছে। সোনালী আহ করছে, "দাদা, তানিয়াকে চোদো।" আমি তানিয়াকে নিয়ে গেলাম। ওর যোনি ভিজে, আমি ঢোকালাম। তানিয়া চিৎকার করে উঠল, "উফ, বড়... জোরে।" আমি ঠাপ মারছি, সোনালী আমার বল চুষছে। তারপর আমরা চেইঞ্জ করলাম, সোনালী উপরে, তানিয়া আমার মুখে বসল। ওর যোনি চাটছি, সোনালী লাফাচ্ছে। তানিয়া ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেল, ওর রস আমার মুখে। আমি সোনালীর ভিতরে মাল ফেললাম। তানিয়া বলল, "এটা আমাদের সিক্রেট, কিন্তু আরও চাই।"


সেদিনের পর তানিয়া মাঝে মাঝে আসে, আমরা থ্রিসাম করি। একবার তো বাড়ির ছাদে, রাতে। বাতাসে ওদের চুল উড়ছে, আমি দুজনকে পালা করে চুদছি। সোনালী বলে, "দাদা, তোমার সাথে জীবনটা অ্যাডভেঞ্চার।" কিন্তু ভয় আছে, যদি ধরা পড়ি? কিন্তু এই রিস্কেই মজা। আমাদের গল্প চলছে, প্রতিদিন নতুন উত্তেজনা। উফ, থিঙ্কিং অ্যাবাউট ইট মেকস মি হর্নি এগেইন।


বোনের কাছে ধরা খেলাম - শেষ পর্ব


আমার নাম অভি, আর সোনালী আমার বোন। তানিয়াকে নিয়ে আমাদের খেলা শুরু হওয়ার পর থেকে জীবনটা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু সবকিছুর একটা শেষ আছে, আর আমাদের এই সিক্রেটও একদিন ফাঁস হওয়ার পথে। কিন্তু তার আগে, আমরা যতটা পারি উপভোগ করছি। সোনালী এখন আরও ডেমান্ডিং হয়ে গেছে, ও চায় হার্ডকোর, রাফ সেক্স। "দাদা, আজ তোমাকে দেখাব আমি কতটা ওয়াইল্ড হতে পারি," ও একদিন বলল। সেদিন বাড়িতে কেউ নেই, তানিয়াও এসেছে। আমরা তিনজনে আমার রুমে, দরজা লক করে।


প্রথমে সোনালী আর তানিয়া দুজনে নগ্ন হয়ে গেল। ওদের শরীর দেখে আমার ধোন ইনস্ট্যান্টলি শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। সোনালী আমাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলল, "আজ আমরা তোমাকে ডমিনেট করব দাদা।" তানিয়া আমার হাত দুটো বেঁধে ফেলল ওর স্কার্ফ দিয়ে, বিছানার সাথে। আমি প্রতিবাদ করলাম না, উত্তেজনায় কাঁপছি। সোনালী আমার উপর উঠে বসল, ওর যোনি আমার মুখের উপর। "চাট দাদা, জোরে চাট।" ও বলল, আর নিজে ঘষতে শুরু করল। আমি জিভ বের করে চাটছি, ওর ক্লিট চুষছি, ভিতরে জিভ ঢোকাচ্ছি। ওর রস আমার মুখে ঝরছে, গরম আর লবণাক্ত। তানিয়া আমার ধোন চুষছে, ওর মুখে পুরোটা নিয়ে গভীরে ঢোকাচ্ছে, গলা পর্যন্ত। "উম্ম দাদা, তোমার ধোনটা এত টেস্টি," তানিয়া বলল।


সোনালী কাঁপতে কাঁপতে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল, ওর যোনি থেকে রসের ফোয়ারা বেরিয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিল। "আহ দাদা, তুমি বেস্ট," ও বলল, আর নেমে গেল। এবার তানিয়া আমার উপর উঠল, ওর যোনিতে আমার ধোন ঢোকাল। ও লাফাতে শুরু করল জোরে জোরে, প্রতিটা লাফে ওর বুক দুলছে। সোনালী পাশে বসে ওর নিপল চুষছে, আর আমার বল টিপছে। তানিয়া চিৎকার করছে, "ফাক মি হার্ডার, অভি... তোমার ধোনটা আমাকে ছিঁড়ে ফেলছে।" আমি নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছি, যতটা পারি জোরে। ওর যোনি টাইট, পিচ্ছিল, প্রতিটা ঠাপে পচাত পচাত আওয়াজ হচ্ছে। মিনিট পাঁচেক পর তানিয়া ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেল, ওর যোনি সংকুচিত হয়ে আমার ধোন চেপে ধরল।


কিন্তু এখনও শেষ না। সোনালী আমার হাত খুলে দিল, "এবার তোমার টার্ন দাদা, আমাদের হার্ড করে চোদো।" আমি উঠে দাঁড়ালাম, ওদের দুজনকে হাঁটু গেড়ে বসালাম। প্রথমে সোনালীকে পেছন থেকে ধরলাম, ওর চুলের মুঠি ধরে টেনে ধোন ঢোকালাম ওর যোনিতে। জোরে ঠাপ মারতে শুরু করলাম, প্রতিটা ঠাপে ওর পাছায় থাপ্পড় মারছি। ওর পাছা লাল হয়ে গেছে, ও চিৎকার করছে, "দাদা, আরও জোরে... থাপ্পড় মারো, আমাকে পানিশ করো।" আমি ওর পাছায় থাপ্পড় মারছি, চুল টেনে রাখছি, আর ঠাপের স্পিড বাড়াচ্ছি। ওর যোনি থেকে রস গড়িয়ে পড়ছে, আমার ধোন ভিজে চকচক করছে। তানিয়া পাশে বসে নিজের যোনিতে আঙুল দিয়ে খেলছে, দেখছে আমাদের।


আমি সোনালীকে ছেড়ে তানিয়াকে নিলাম। ওকে দেয়ালে ঠেকিয়ে দাঁড় করিয়ে পা তুলে ধরলাম, এক পায়ে দাঁড়িয়ে। ধোন ঢোকালাম ওর যোনিতে, জোরে জোরে ঠাপ মারছি। ওর একটা পা আমার কাঁধে, আমি ওর গলায় হাত রেখে চাপ দিচ্ছি আস্তে আস্তে। "চোক মি অভি, হার্ডার," তানিয়া বলল, ওর চোখ লাল হয়ে গেছে উত্তেজনায়। আমি গলায় চাপ দিয়ে ঠাপ মারছি, ওর বুক টিপছি জোরে, নখ দিয়ে আঁচড় দিচ্ছি। ও কাঁপতে কাঁপতে বলছে, "ইয়েস, ফাক মি লাইক অ্যা স্লাট।" প্রতিটা ঠাপে ওর শরীর কাঁপছে, দেয়ালে ধাক্কা লাগছে। সোনালী পেছনে এসে আমার পাছায় থাপ্পড় মারছে, "দাদা, ওকে ছিঁড়ে ফেলো।"


এবার আমরা তিনজনে একসাথে। আমি বিছানায় শুয়ে পড়লাম, সোনালী আমার ধোনের উপর বসল, যোনিতে ঢোকিয়ে লাফাতে শুরু করল। তানিয়া আমার মুখের উপর বসল, ওর যোনি চাটাচ্ছে। আমি তানিয়ার যোনি চুষছি, ক্লিট কামড়ে ধরছি আস্তে। সোনালী লাফাচ্ছে জোরে, ওর হাত তানিয়ার বুকে, টিপছে। "আহ দাদা, তোমার ধোনটা আমার ভিতরে পুরোটা ঢুকে যাচ্ছে," সোনালী বলছে। তানিয়া আমার জিভে ঘষছে, "চাটো অভি, জোরে চাটো।" ঘরে শুধু আমাদের আহ উহ আওয়াজ, শরীরের ধাক্কার সাউন্ড।


চেইঞ্জ করে এবার অ্যানাল। সোনালী বলল, "দাদা, আজ দুজনকেই অ্যানাল করো।" আমি লুব নিয়ে প্রথমে সোনালীর পাছায় লাগালাম, আঙুল দিয়ে প্রস্তুত করলাম। তারপর ধোন ঢোকালাম আস্তে আস্তে। ও ব্যথায় চিৎকার করল, "আহ দাদা, স্লো... কিন্তু থামো না।" পুরোটা ঢুকিয়ে ঠাপ মারতে শুরু করলাম, জোরে জোরে। ওর পাছা টাইট, চেপে ধরেছে। তানিয়া সোনালীর যোনিতে আঙুল দিয়ে খেলছে, ওর নিপল চুষছে। সোনালী কাঁপছে, "দাদা, ফাস্টার... তোমার ধোনটা আমার পাছায় আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে।" আমি ওর চুল ধরে টেনে ঠাপাচ্ছি, পাছায় থাপ্পড় মারছি। ও ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেল, ওর যোনি থেকে রস স্প্রে হয়ে বেরিয়ে এল।


এবার তানিয়ার পালা। ওকে ডগি পজিশনে রাখলাম, পাছায় লুব লাগিয়ে ধোন ঢোকালাম। ও চিৎকার করল, "উফ অভি, বড়... ছিঁড়ে যাবে।" কিন্তু আমি থামলাম না, পুরোটা ঢুকিয়ে ঠাপের ঝড় তুললাম। প্রতিটা ঠাপে ওর শরীর সামনে ঝুঁকে যাচ্ছে, আমি ওর কোমর ধরে টেনে নিচ্ছি। সোনালী তানিয়ার নিচে শুয়ে ওর যোনি চাটছে, আঙুল দিয়ে ভিতরে ঢোকাচ্ছে। তানিয়া পাগলের মতো চিৎকার করছে, "ফাক মাই অ্যাস হার্ড, অভি... ডোন্ট স্টপ।" আমি স্পিড বাড়ালাম, ওর পাছায় থাপ্পড়ের পর থাপ্পড় মারছি, লাল হয়ে গেছে। মিনিট দশেক পর আমার মাল বেরোবার সময় হল, আমি বের করে নিয়ে ওদের মুখের সামনে ধরলাম। "খাও, দুজনে মিলে।" ওরা দুজনে চুষতে শুরু করল, জিভ দিয়ে চাটছে। আমার মাল বেরিয়ে ওদের মুখে, গালে, বুকে পড়ল। ওরা গিলে ফেলল, একে অপরের মুখ চেটে পরিষ্কার করল।


আমরা তিনজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইলাম। সোনালী বলল, "দাদা, এটা ছিল বেস্ট। কিন্তু আমাদের স্টপ করতে হবে, যদি ধরা পড়ি?" তানিয়া বলল, "হ্যাঁ, কিন্তু মেমরি থাকবে।" কিন্তু সেদিনের পর আমরা আর করিনি। সোনালী আর আমি স্বাভাবিক ভাই-বোন হয়ে গেলাম, কিন্তু মনে মনে সেই উত্তেজনা রয়ে গেছে। তানিয়া চলে গেল অন্য শহরে। এখন আমরা আলাদা, কিন্তু সেই রাতের কথা মনে পড়লে শরীর গরম হয়ে যায়। হয়তো একদিন আবার... কে জানে? উফ, এই গল্প শেষ, কিন্তু ফিলিংস না।

Post a Comment

ধন্যবাদ! কমেন্ট বক্সে কোনো প্রকার লিংক বা খারাপ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

নবীনতর পূর্বতন