লিফট এ আটকে গিয়ে
আমার নাম অভিষেক। আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করি, অফিসটা শহরের একটা হাইরাইজ বিল্ডিংয়ে। প্রতিদিন সকালে লিফটে করে উঠি, কিন্তু সেদিনটা একটু অন্যরকম ছিল। আমি লিফটে উঠলাম, আর সাথে উঠল একটা মেয়ে। তার নাম শ্রেয়া। আমি তাকে আগে কখনো দেখিনি, কিন্তু তার চোখে চোখ পড়তেই মনে হল যেন কোনো সিনেমার সিন। শ্রেয়া একটা টাইট ফিটিং শার্ট আর স্কার্ট পরে ছিল, তার ফিগারটা এমন যে চোখ সরানো মুশকিল। লম্বা চুল, ফর্সা গায়ের রং, আর হাসলে যেন মুক্তো ঝরে। আমি ভাবলাম, আজকের দিনটা ভালো যাবে।
লিফট চলতে শুরু করল, কিন্তু হঠাৎ করে থেমে গেল। লাইট ফ্লিকার করে নিভে গেল, আর আমরা দুজন আটকে গেলাম। শ্রেয়া একটু ঘাবড়ে গেল, বলল, "কী হল? লিফট থেমে গেল কেন?" আমি বললাম, "চিন্তা করো না, হয়তো পাওয়ার কাট। সিকিউরিটিকে কল করি।" কিন্তু মোবাইলের সিগন্যাল নেই, লিফটের ইমার্জেন্সি বেলটা চাপলাম, কিন্তু কোনো রেসপন্স নেই। আমরা দুজন একা, অন্ধকারে, আর গরমটা বাড়তে শুরু করেছে।
শ্রেয়া ঘামতে শুরু করল, তার শার্টটা ভিজে গেল, আর তার ব্রা'র আউটলাইনটা স্পষ্ট হয়ে উঠল। আমি চোখ সরানোর চেষ্টা করলাম, কিন্তু মনে মনে ভাবছি, এমন সুন্দরী মেয়ে সাথে আটকে থাকা কি স্বপ্ন না সত্যি? সে বলল, "আমার খুব গরম লাগছে, এখানে এয়ার নেই।" আমি বললাম, "হ্যাঁ, আমারও। তুমি কোন ফ্লোরে যাবে?" সে বলল, "আমি নতুন জয়েন করেছি, মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে। তোমার নাম কী?" আমি পরিচয় দিলাম, আর কথা বলতে বলতে সময় কাটাতে শুরু করলাম।
কিন্তু গরমটা আরও বাড়ল, শ্রেয়া তার শার্টের উপরের বোতাম খুলে ফেলল, বলল, "সরি, কিন্তু আমি আর পারছি না।" তার ক্লিভেজটা দেখা যাচ্ছে, গোলাপী রঙের ব্রা, আর তার স্তন দুটো যেন উঠে-নামছে শ্বাসের তালে। আমার প্যান্টের ভিতরে হালকা নড়াচড়া শুরু হয়ে গেল। আমি বললাম, "আমিও খুলি?" সে হেসে বলল, "খোলো না, কিন্তু এখানে তো কেউ নেই।" আমরা দুজন কাছে সরে এলাম, তার গায়ের গন্ধটা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে। সে বলল, "তোমার গার্লফ্রেন্ড আছে?" আমি বললাম, "না, সিঙ্গেল। তোমার?" সে বলল, "আমিও। কিন্তু এমন সিচুয়েশনে কী করব?"
হঠাৎ করে লিফটটা একটু নড়ল, কিন্তু আবার থেমে গেল। শ্রেয়া ভয়ে আমার কাঁধে হাত রাখল, আর আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম। তার শরীরটা নরম, গরম, আর আমার হাত তার পিঠে ঘুরতে শুরু করল। সে চোখ বন্ধ করে বলল, "অভিষেক, আমার ভয় লাগছে।" আমি বললাম, "চিন্তা করো না, আমি আছি।" কিন্তু আমার মন অন্যদিকে। আমি তার ঠোঁটের কাছে মুখ নিয়ে গেলাম, আর সে প্রতিবাদ না করে চুমু খেতে শুরু করল। তার জিভটা আমার মুখে ঢুকে গেল, স্বাদটা মিষ্টি, আর আমরা দুজন পাগলের মতো চুমু খেতে লাগলাম।
শ্রেয়া আমার শার্ট খুলে ফেলল, তার হাত আমার বুকে ঘুরছে, নখ দিয়ে আঁচড় দিচ্ছে। আমি তার শার্টটা পুরো খুলে দিলাম, ব্রা'র হুক খুলে ফেললাম, আর তার স্তন দুটো বেরিয়ে এল। গোল, ফর্সা, নিপলটা গোলাপী, শক্ত হয়ে উঠেছে। আমি একটা নিপল মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম, সে আহ করে উঠল, "আহ অভিষেক, আরও জোরে।" তার হাত আমার প্যান্টের জিপ খুলে ভিতরে ঢোকাল, আমার লিঙ্গটা ধরে নাড়াতে শুরু করল। সেটা শক্ত হয়ে উঠেছে, লম্বা আর মোটা। সে বলল, "ওয়াও, এত বড়!"
আমি তার স্কার্ট তুলে দিলাম, প্যান্টি'র উপর দিয়ে তার যোনিতে হাত রাখলাম। ভিজে গেছে, গরম। সে পা ফাঁক করে বলল, "ঢোকাও হাত।" আমি প্যান্টি সরিয়ে আঙ্গুল ঢোকালাম, সে কাঁপতে শুরু করল, "আহহহ, ভালো লাগছে।" আমরা দুজন লিফটের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, আমি তার যোনিতে আঙ্গুল চালাচ্ছি, সে আমার লিঙ্গ নাড়ছে। হঠাৎ সে নিচে বসল, আমার লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তার জিভটা ঘুরছে, চুষছে জোরে, আমি তার চুল ধরে ঠেলছি। "শ্রেয়া, তুমি দারুণ করছো," আমি বললাম। সে উঠে বলল, "এবার তুমি করো।"
আমি তাকে দেয়ালে ঠেসে ধরলাম, তার পা তুলে ধরলাম, আর লিঙ্গটা তার যোনিতে ঢোকাতে শুরু করলাম। সে চিৎকার করে উঠল, "আহহহ, ধীরে।" কিন্তু ভিতরটা ভিজে, সহজেই ঢুকে গেল। আমি ঠাপাতে শুরু করলাম, জোরে জোরে। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে, সে আমার পিঠে নখ বসাচ্ছে। "ফাক মি হার্ডার, অভিষেক," সে বলছে। লিফটের ভিতরে শুধু আমাদের শ্বাসের শব্দ আর ঠাপের আওয়াজ। গরমে ঘামে আমরা দুজন ভিজে গেছি, কিন্তু থামছি না। আমি তার গলায় চুমু খাচ্ছি, কামড় দিচ্ছি, সে আহ উহ করছে।
কিছুক্ষণ পর সে বলল, "আমি আসছি," আর তার শরীর কাঁপতে শুরু করল, যোনিটা শক্ত হয়ে আমার লিঙ্গ চেপে ধরল। আমিও আর পারলাম না, তার ভিতরে মাল ফেলে দিলাম। আমরা দুজন হাঁপাতে হাঁপাতে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ লিফটের লাইট জ্বলে উঠল, আর চলতে শুরু করল। আমরা তাড়াতাড়ি কাপড় পরে নিলাম, কিন্তু চোখে চোখে হাসি। লিফট খুলতেই সিকিউরিটি এল, বলল, "সরি স্যার, পাওয়ার ফেলিয়র।" আমরা বেরিয়ে এলাম, কিন্তু শ্রেয়া আমার কানে বলল, "আজ রাতে তোমার ফ্ল্যাটে?"
সেদিন থেকে আমাদের সম্পর্ক শুরু হল। প্রতিদিন অফিসে দেখা হয়, কিন্তু সেই লিফটের স্মৃতি ভুলতে পারি না। শ্রেয়া এখন আমার গার্লফ্রেন্ড, আর আমরা প্রায়ই সেই লিফটে উঠি, যদি আবার আটকে যায়। কিন্তু
এবার আমরা প্রস্তুত।
সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে আমি আর শ্রেয়া একসাথে বাড়ি ফিরলাম। আমার ফ্ল্যাটটা শহরের একটা কোয়াইট এরিয়ায়, ছোট কিন্তু কোজি। শ্রেয়া আমার সাথে আসতে রাজি হয়ে গেল, বলল, "আজকের লিফটের পর আমি তোমাকে ছাড়তে পারব না।" আমরা ট্যাক্সিতে উঠলাম, কিন্তু পুরো রাস্তায় আমাদের হাত ধরাধরি, তার উরুতে আমার হাত ঘুরছে, আর সে আমার কানে ফিসফিস করে বলছে, "আজ রাতে আমাকে ছেড়ে দিও না, অভিষেক। আমি তোমার সবকিছু চাই।" আমার শরীরে আগুন জ্বলে উঠল, প্যান্টের ভিতরে আবার সেই নড়াচড়া শুরু হয়ে গেল।
ফ্ল্যাটে পৌঁছে দরজা বন্ধ করতেই শ্রেয়া আমাকে জড়িয়ে ধরল। তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে চেপে ধরল, চুমু খেতে খেতে বলল, "লিফটে যা হয়েছে, সেটা তো শুরু মাত্র। আজ আমরা সারারাত চালিয়ে যাব।" আমি তার শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করলাম, তার ব্রা'র উপর দিয়ে স্তন দুটো চেপে ধরলাম। সে আহ করে উঠল, "জোরে, অভিষেক, আমার নিপলগুলো চুষে দাও।" আমি তাকে বিছানায় ঠেলে ফেললাম, তার শার্ট আর ব্রা খুলে ফেললাম। তার স্তন দুটো এখন পুরো উন্মুক্ত, গোলাকার, ফর্সা, নিপলটা গোলাপী আর শক্ত। আমি একটা নিপল মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম, জিভ দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছি, আর অন্যটা হাত দিয়ে মুচড়ে দিচ্ছি। সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, "আহহহ, দাঁত দিয়ে কামড় দাও, আমার ভালো লাগছে।"
শ্রেয়া আমার শার্ট খুলে ফেলল, তার নখ দিয়ে আমার বুকে আঁচড় কাটতে শুরু করল। তারপর নিচে নেমে আমার প্যান্টের জিপ খুলল, আন্ডারওয়্যার সরিয়ে আমার লিঙ্গটা বের করে নিল। "ওয়াও, লিফটে যা দেখেছি, এখন আরও বড় লাগছে," বলে সে মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তার জিভটা ঘুরছে টিপে, চুষছে জোরে জোরে, আর হাত দিয়ে নাড়াচ্ছে। আমি তার চুল ধরে ঠেলছি, গভীরে ঢোকাচ্ছি। "শ্রেয়া, তুমি একটা প্রো," আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম। সে উঠে বলল, "এবার তোমার পালা। আমাকে চাটো।"
আমি তার স্কার্ট আর প্যান্টি খুলে ফেললাম। তার যোনিটা পুরো উন্মুক্ত, ভিজে গেছে, গোলাপী রঙের, আর ছোট ছোট চুল দিয়ে ঘেরা। আমি নিচে বসে জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলাম, ক্লিটোরিসটা চুষছি, আঙ্গুল ঢোকাচ্ছি ভিতরে। সে পা ফাঁক করে চিৎকার করছে, "আহহহ অভিষেক, জোরে চাটো, আমার ভিতরে জিভ ঢোকাও।" তার রস বেরিয়ে আসছে, আমি সবটা চেটে নিচ্ছি। সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, "আমি আসছি, থেমো না!" আর তার শরীরটা ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল, যোনিটা শক্ত হয়ে গেল।
কিন্তু আমরা থামলাম না। আমি তাকে উল্টো করে শোয়ালাম, তার পাছাটা উঁচু করে ধরলাম। তার পাছা দুটো গোল, নরম, ফর্সা। আমি পিছন থেকে লিঙ্গটা তার যোনিতে ঢোকালাম, জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম। "ফাক মি ডগি স্টাইলে, হার্ডার," সে বলছে, তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে। আমি তার পাছায় চাপড় মারছি, লাল করে দিচ্ছি, আর ঠাপের তালে তালে শব্দ হচ্ছে। তার ভিতরটা গরম, ভিজে, আমার লিঙ্গটা পুরো ঢুকে যাচ্ছে। সে হাত দিয়ে তার ক্লিটোরিস নাড়ছে, আর আহ উহ করছে। "অভিষেক, তোমার লিঙ্গটা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে," সে বলল।
কিছুক্ষণ পর আমি তাকে উপরে তুললাম, কাউগার্ল পজিশনে। সে আমার লিঙ্গের উপর বসল, নিজে নিজে উঠানামা করতে শুরু করল। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে আমার চোখের সামনে, আমি চেপে ধরছি, নিপল মুচড়ে দিচ্ছি। সে জোরে জোরে ঠাপাচ্ছে, তার চুল উড়ছে, ঘামে ভিজে গেছে পুরো শরীর। "আহহহ, আমি আবার আসছি," বলে সে কাঁপতে শুরু করল, তার যোনিটা আমার লিঙ্গ চেপে ধরল। আমিও আর পারলাম না, তার ভিতরে মাল ফেলে দিলাম, গরম গরম। আমরা দুজন হাঁপাতে হাঁপাতে জড়িয়ে পড়ে রইলাম।
কিন্তু রাত তো শুরু হয়েছে মাত্র। শ্রেয়া উঠে বলল, "আমি তোমার সাথে শাওয়ার নেব।" আমরা বাথরুমে গেলাম, শাওয়ার চালালাম। জলের নিচে তার শরীরটা আরও সেক্সি লাগছে, ভিজে গেছে পুরো। আমি সাবান দিয়ে তার স্তন মাখছি, যোনিতে হাত ঘুরাচ্ছি। সে আমার লিঙ্গ সাবান দিয়ে নাড়ছে, আবার শক্ত করে তুলছে। "এবার পিছন থেকে করো," সে বলল, দেয়ালে হেলান দিয়ে পা ফাঁক করল। আমি পিছন থেকে ঢোকালাম, জলের নিচে ঠাপাতে শুরু করলাম। তার পাছায় চাপড় মারছি, গলায় কামড় দিচ্ছি। "আহহহ, জোরে, অভিষেক, আমাকে ছিঁড়ে ফেলো," সে চিৎকার করছে। আমরা আবার ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম, জলের সাথে সাথে আমাদের রস মিশে গেল।
সারারাত আমরা থামলাম না। বিভিন্ন পজিশনে—মিশনারি, 69, স্পুনিং—সবকিছু চেষ্টা করলাম। শ্রেয়া বলল, "তোমার সাথে থাকলে আমি কখনো বোর হব না।" সকালে উঠে আমরা আবার লিফটে উঠলাম অফিস যাওয়ার জন্য, কিন্তু এবার আমরা জানি, যদি আটকে যায়, তাহলে আরও মজা। আমাদের সম্পর্কটা এখন আরও গভীর, প্রতিদিন নতুন নতুন অ্যাডভেঞ্চার। শ্রেয়া এখন আমার জীবনের অংশ, আর সেই লিফটটা আমাদের প্রেমের শুরু। কিন্তু কে জানে, পরেরবার কী হবে?
সকালে অফিস থেকে ফিরে আমরা দুজনেই ক্লান্ত, কিন্তু সেই ক্লান্তির মধ্যেও একটা আগুন জ্বলছে। শ্রেয়া আমার ফ্ল্যাটে ঢুকেই বলল, "আজ একটা নতুন খেলা খেলব। তোমার হাত বেঁধে দেব, আর তুমি আমার সবকিছু করতে পারবে না—শুধু দেখবে আর অনুভব করবে।" তার চোখে দুষ্টুমি, হাসিতে একটা চ্যালেঞ্জ। আমি হেসে বললাম, "ঠিক আছে, কিন্তু পরে আমার পালা।" সে একটা নরম সিল্ক স্কার্ফ নিয়ে এল—লাল রঙের, যেটা তার ব্যাগে ছিল। আমাকে বিছানায় বসিয়ে দুটো হাত পিছনে নিয়ে গিয়ে বেঁধে দিল। টাইট করে, কিন্তু ব্যথা হয় না এমন। আমি নড়তে পারছি না, শুধু শুয়ে আছি, তার দিকে তাকিয়ে।
শ্রেয়া ধীরে ধীরে তার কাপড় খুলতে শুরু করল। প্রথমে টপটা খুলে ফেলল, তারপর ব্রা। তার স্তন দুটো আবার আমার সামনে—গোল, ফর্সা, নিপল শক্ত হয়ে উঠেছে। সে আমার মুখের কাছে এসে বলল, "চাও? কিন্তু ছুঁতে পারবে না।" তারপর সে তার নিপলটা আমার ঠোঁটে ঘষতে লাগল, আমি চুষতে চাইলাম কিন্তু সে সরিয়ে নিল, হাসছে। "ধৈর্য ধরো, অভিষেক।" তার হাত আমার শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করল, ধীরে ধীরে। আমার বুকে চুমু খাচ্ছে, জিভ দিয়ে চাটছে, নখ দিয়ে আঁচড় কাটছে। আমার লিঙ্গটা প্যান্টের ভিতরে শক্ত হয়ে উঠেছে, কিন্তু আমি কিছু করতে পারছি না।
সে আমার প্যান্ট খুলে ফেলল, আন্ডারওয়্যার সরিয়ে লিঙ্গটা বের করল। "দেখো কত শক্ত হয়ে গেছে," বলে সে হাত দিয়ে নাড়াতে শুরু করল—ধীরে ধীরে, উপর-নিচ করে। তার জিভটা টিপে ঘুরিয়ে দিচ্ছে, চুষছে হালকা করে, তারপর গভীরে নিয়ে যাচ্ছে। আমি হাঁপাচ্ছি, "শ্রেয়া, প্লিজ... ছেড়ে দাও হাত।" কিন্তু সে হাসল, "না, আজ তুমি আমার দাস।" তারপর সে উঠে দাঁড়াল, তার প্যান্টি খুলে ফেলল। তার যোনিটা ভিজে চকচক করছে। সে আমার মুখের উপর বসল—69 পজিশনে, কিন্তু আমার হাত বাঁধা বলে আমি শুধু জিভ দিয়ে চাটতে পারছি। সে তার যোনি আমার মুখে ঘষছে, আমি চাটছি জোরে জোরে, ক্লিটোরিস চুষছি। সে আহ করে উঠছে, "আহহহ, ভালো লাগছে... আরও গভীরে।"
কিছুক্ষণ পর সে নিচে নেমে এল, আমার লিঙ্গটা তার হাতে ধরে নিজের যোনিতে ঘষতে লাগল। ভিজে গেছে পুরো, স্লিপারি। "চাও ঢোকাতে?" সে জিজ্ঞেস করল। আমি মাথা নাড়লাম, "হ্যাঁ, প্লিজ।" সে ধীরে ধীরে বসল, আমার লিঙ্গটা ভিতরে নিয়ে গেল। তার ভিতরটা গরম, টাইট। সে উঠানামা করতে শুরু করল—ধীরে, তারপর জোরে। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে আমার চোখের সামনে, আমি চাইছি চেপে ধরতে, কিন্তু হাত বাঁধা। সে আমার নিপল কামড় দিচ্ছে, চুষছে, আর ঠাপাচ্ছে জোরে। "ফাক মি, অভিষেক... বলো কত ভালো লাগছে," সে বলছে। আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম, "খুব ভালো... তোমার ভিতরটা স্বর্গ।"
সে পজিশন চেঞ্জ করল—আমার উপর উল্টো হয়ে বসল, পাছাটা আমার দিকে। তার পাছা দুটো গোল, নরম। সে আবার ঢোকাল, এবার পিছন থেকে ঠাপাচ্ছে। আমি তার পাছায় চাপড় মারতে চাই, কিন্তু পারছি না। সে নিজের হাত দিয়ে ক্লিটোরিস নাড়ছে, আর চিৎকার করছে, "আহহহ, আমি আসছি... তোমার লিঙ্গটা আমাকে মেরে ফেলছে!" তার শরীর কাঁপতে শুরু করল, যোনিটা চেপে ধরল আমার লিঙ্গকে। আমিও আর পারলাম না—তার ভিতরে গরম মাল ফেলে দিলাম, অনেকটা। সে হাঁপাতে হাঁপাতে আমার উপর শুয়ে পড়ল।
কিছুক্ষণ পর সে উঠে আমার হাতের বাঁধন খুলে দিল। "এবার তোমার পালা," বলে হাসল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম, চুমু খেলাম জোরে। "পরেরবার আমি তোমার হাত বাঁধব, আর তোমাকে ছাড়ব না সারারাত," আমি বললাম। সে চোখ টিপে বলল, "প্রমিস? আমি ওয়েট করছি।" আমরা দুজন জড়িয়ে শুয়ে রইলাম, ঘামে ভিজে, কিন্তু খুশিতে। সেই লিফটের পর থেকে আমাদের জীবনটা এখন এমন—প্রতিদিন নতুন নতুন খেলা, নতুন নতুন আগুন। শ্রেয়া আমার, আর আমি তার—পুরোপুরি। কে জানে, পরের অ্যাডভেঞ্চার কী হবে?
হাতের বাঁধন খোলার পর আমি আর দেরি করলাম না। শ্রেয়াকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় চিত করে শুইয়ে দিলাম। তার দুটো হাত মাথার উপরে তুলে ধরে আমার সেই লাল সিল্ক স্কার্ফ দিয়ে বেঁধে দিলাম—হেডবোর্ডের সাথে টাইট করে। সে হাসছে, চোখে দুষ্টু চমক, "এবার তুমি আমাকে যা খুশি করো, অভিষেক। আমি তোমার।" তার শরীরটা এখন পুরো উন্মুক্ত আমার সামনে—ঘামে ভিজে চকচক করছে, স্তন দুটো উঠানামা করছে শ্বাসের তালে, যোনিটা এখনও ভিজে আছে আমাদের আগের রাউন্ডের রসে।
আমি তার উপর ঝুঁকে পড়লাম, প্রথমে তার ঠোঁটে গভীর চুমু খেলাম—জিভ দিয়ে তার জিভের সাথে খেলা করলাম, কামড় দিলাম হালকা করে। তারপর নিচে নেমে গলায় চুমু, কামড়, চাটা—তার গলার কাছে লাল দাগ ফেলে দিলাম। সে আহ করে উঠছে, "আহহহ... মার্ক করে দাও আমাকে, তোমারটা করে দাও।" আমি তার স্তন দুটো চেপে ধরলাম, নিপলগুলো মুখে নিয়ে জোরে চুষলাম—দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিয়ে টানলাম। সে শরীর কাঁপিয়ে চিৎকার করল, "আহহহ... জোরে, আরও জোরে!" আমার হাত তার পেট বেয়ে নিচে নামল, যোনিতে আঙ্গুল ঢোকালাম—দুটো আঙ্গুল একসাথে, ভিতরে-বাইরে করতে লাগলাম। তার ভিতরটা গরম, ভিজে, চুষছে আমার আঙ্গুলগুলো। সে পা ফাঁক করে কোমর তুলছে, "আরও গভীরে... প্লিজ অভিষেক!"
আমি নিচে নেমে তার যোনিতে মুখ দিলাম। জিভ দিয়ে ক্লিটোরিস চুষছি জোরে, আঙ্গুল চালাচ্ছি ভিতরে—তার রস আমার মুখে বইছে। সে চিৎকার করছে, "আহহহ... আমি আসছি... থেমো না!" তার শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল, যোনিটা কাঁপতে কাঁপতে রস ছাড়ল—আমি সবটা চেটে নিলাম। কিন্তু আমি থামলাম না। আমার লিঙ্গটা এখন পুরো শক্ত, লম্বা, শিরা ফুলে উঠেছে। আমি তার পা দুটো কাঁধে তুলে নিলাম, মিশনারি পজিশনে। ধীরে ধীরে ঢোকালাম—প্রথমে টিপটা, তারপর পুরোটা। তার ভিতরটা টাইট, গরম, আমাকে চেপে ধরছে। সে চোখ বন্ধ করে বলল, "ওহ গড... এত গভীরে... ফিল করছি তোমাকে পুরো।"
আমি ঠাপাতে শুরু করলাম—ধীরে, তারপর জোরে জোরে। প্রত্যেক ঠাপে তার স্তন লাফাচ্ছে, সে হাত বাঁধা অবস্থায় নড়তে পারছে না, শুধু কোমর তুলে তুলে মিলছে আমার সাথে। "হার্ডার... ফাক মি হার্ডার, অভিষেক!" সে চিৎকার করছে। আমি তার পা নামিয়ে দিলাম, তার উপর ঝুঁকে পড়ে ঠাপাচ্ছি—এখন আমাদের শরীর একদম লেগে আছে, ঘাম মিশে গেছে। আমি তার কানে ফিসফিস করলাম, "তুমি আমার স্লাট, শ্রেয়া... শুধু আমার।" সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "হ্যাঁ... তোমার... পুরোটা তোমার।"
পজিশন চেঞ্জ করলাম। আমি তার হাতের বাঁধন খুললাম না—শুধু তাকে উল্টো করে শোয়ালাম, পাছা উঁচু করে। ডগি স্টাইলে। তার পাছা দুটো গোল, নরম—আমি চাপড় মারলাম জোরে, লাল করে দিলাম। সে আহ করে উঠল, "আরও... মারো!" আমি পিছন থেকে ঢোকালাম—এক ঠাপে পুরোটা। তার ভিতরটা এই অ্যাঙ্গেলে আরও টাইট লাগছে। আমি তার চুল ধরে টেনে ধরলাম, ঠাপাচ্ছি জোরে জোরে—শব্দ হচ্ছে প্যাচ প্যাচ। তার স্তন দুটো ঝুলে লাফাচ্ছে, সে হাত দিয়ে বিছানা চেপে ধরেছে। "আহহহ... তোমার লিঙ্গটা আমাকে ছিঁড়ে ফেলছে... ভালো লাগছে খুব!"
কিছুক্ষণ পর আমি তাকে কাউগার্লে নিলাম—কিন্তু এবার তার হাত বাঁধা থাকায় সে নিজে উঠানামা করতে পারছে না পুরোপুরি। আমি তার কোমর ধরে নিচ থেকে ঠেলছি উপরে। সে আমার উপর বসে আছে, চুল ছড়িয়ে পড়েছে, ঘামে ভিজে গেছে। তার স্তন আমার মুখের সামনে—আমি চুষছি, কামড়াচ্ছি। সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, "আমি আবার আসছি... একসাথে আসো!" তার যোনিটা চেপে ধরল আমার লিঙ্গকে, কাঁপতে শুরু করল। আমিও আর ধরে রাখতে পারলাম না—তার ভিতরে গরম গরম মাল ছেড়ে দিলাম, অনেকটা, গভীরে। আমরা দুজন হাঁপাতে হাঁপাতে পড়ে রইলাম।
অনেকক্ষণ পর আমি তার হাতের বাঁধন খুলে দিলাম। সে আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল, আঙুল দিয়ে আমার বুকে আঁকিবুকি কাটছে। "এটা ছিল... অসাধারণ," সে ফিসফিস করে বলল। "তোমার সাথে প্রতিটা মুহূর্ত যেন নতুন করে প্রেমে পড়া।" আমি তার চুলে চুমু খেয়ে বললাম, "আরও অনেক খেলা বাকি আছে। পরেরবার হয়তো চোখ বেঁধে... বা অন্য কিছু।" সে হেসে বলল, "প্রমিস? আমি রেডি।"
সারারাত আমরা জড়িয়ে শুয়ে রইলাম, কথা বললাম, হাসলাম, আবার হালকা করে চুমু খেলাম। সকালে উঠে অফিস যাওয়ার আগে আমরা আবার সেই লিফটে উঠলাম। এবার হাত ধরে, চোখে চোখ রেখে। লিফট চলছে, কিন্তু আমরা জানি—যদি আটকে যায়, তাহলে আমরা প্রস্তুত। কারণ আমাদের মধ্যে এখন শুধু শরীর নয়, একটা গভীর বন্ধন। শ্রেয়া আমার, আমি তার—আর এই যাত্রা কখনো শেষ হবে না।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ধন্যবাদ! কমেন্ট বক্সে কোনো প্রকার লিংক বা খারাপ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।