Top News

অlম্মুর ১০ মিনিট...

 বন্ধুরা, আমার নাম দীপ। আজকে তোমাদের সামনে যে গল্পটা তুলে ধরবো, সেটা আমার নিজের মা অনিতা দেবীর চোদনলীলা নিয়ে। গল্পটা পুরোপুরি সত্যি নয়, কিছু আমার ফ্যান্টাসি, কিছু মায়ের আসল যৌনজীবন থেকে নেওয়া। কিন্তু আমি এটাকে আরও হট, আরও রসালো, আরও নির্মম করে লিখছি, যাতে তোমাদের ধোন খাড়া হয়ে যায় আর গুদ ভিজে যায়। চলো শুরু করি এই মায়ের মুসলিম চোদনের গল্প, যাতে বেশ্যা মায়ের গুদ-পোঁদ-মুখ সব ফাঁক হয়ে যায়।

আমার বয়স তখন ১৮, ক্লাস ১২-এ পড়ি। বাবা ব্যবসায়ের কাজে বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকেন, ঘরে শুধু আমি আর মা অনিতা। আমাদের বাড়ি দোতলা, বড় জায়গা, উঁচু পাঁচিল ঘেরা, পাড়ার শেষ প্রান্তে। তারপর ফাঁকা খেত, জঙ্গল, আর আদিবাসী সাঁওতালদের বস্তি। মায়ের বয়স ৩৯, ফিগার ৩৯-৩০-৪০, মাঝারি লম্বা, গায়ের রং ফর্সা, দুধের মতো নরম। তার মাই দুটো ভারী, গোলাকার, পোঁদের দাবনা চওড়া, যেন চোদার জন্যই তৈরি। গরমের দিন, আমি স্কুল থেকে একটু তাড়াতাড়ি ফিরছিলাম, সাথে আমার বন্ধু শুভ।

বাড়ির কাছে এসে দেখি, পাঁচিলের কোনায় গোয়ালা ঘোষের সাইকেল দাঁড়িয়ে। দুপুর ১টা বাজে, সাধারণত ১২টায় দুধ দিয়ে চলে যায়। শুভ বলল, "আগেও দেখেছি, ওর সাইকেল ২-৩ ঘণ্টা থাকে তোদের পাঁচিল ঘেঁষে।" ও চলে গেল, কিন্তু আমার মনে সন্দেহ উঁকি দিল। আমি পিছনের গেট দিয়ে ঢুকে, বারান্দায় দেখি গোয়ালার দুধের ক্যান রাখা। ভেতরে কিছু চলছে নিশ্চয়! আমি সামনের দরজা না খুলে, সিঁড়িঘরের জানলা দিয়ে উঁকি দিলাম। আর সেটা দেখে আমার চোখ কপালে উঠল, ধোন টানটান হয়ে গেল।

আমার মা অনিতা, খানকি মাগীর মতো গোলাপি প্যান্টি আর ব্রা পরে, হাঁটু গেড়ে সোফার সামনে বসে গোয়ালা ঘোষের কালো মোটা বাঁড়াটা দু'হাতে ধরে মুখে ঢোকাচ্ছে। বাঁড়াটা চকচকে, লালার ভেজা, মা জিভ দিয়ে চাটছে, চুষছে যেন ললিপপ। গোয়ালা হারামি নিচ থেকে ঠাপ দিয়ে মায়ের মুখ চুদছে, মায়ের চুলের মুঠি ধরে টেনে রাখছে। মায়ের মুখে বাঁড়া ঢোকানোর সময় "গপ গপ" আওয়াজ হচ্ছে, মা গোঙাচ্ছে "উম্ম উম্ম", চোখ বন্ধ করে সুখ নিচ্ছে। প্রায় ৫ মিনিট এভাবে চোষার পর মা উঠল, সোফায় শুয়ে পা উপরে তুলে, ঘাড় নিচে ঝুলিয়ে। গোয়ালা মায়ের ব্রা খুলে দিল, মাই দুটো বেরিয়ে এল – উফফ, কী ভারী দুদু, বোঁটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে। গোয়ালা মাই দুটো খামচে ধরে, বাঁড়াটা মায়ের মুখে ভরে ঠাপাতে লাগল। মায়ের মুখে বাঁড়া ঢুকছে বার হচ্ছে, মাই কচলানোর জন্য লাল হয়ে যাচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর বাঁড়া বের করে, এবার মা কুত্তি স্টাইলে সোফায় উপুড় হয়ে বসল, পোঁদ উঁচিয়ে। মায়ের ফর্সা পাছা আমার সামনে – উফফ, কী সেক্সি দাবনা, ফাঁক হয়ে গুদ দেখা যাচ্ছে। গোয়ালা এক হাতে বাঁড়া চটকাচ্ছে, অন্য হাতে মায়ের পোঁদে চটাস চটাস করে চড় মারছে। পোঁদ লাল হয়ে যাচ্ছে, মা "আহ্হ আহ্হ" করে কাঁপছে, কিন্তু পোঁদ নাচিয়ে আরও চাইছে। গোয়ালা চুলের মুঠি ধরে টেনে, বাঁড়াটা মায়ের গুদে ঢোকাল – থপ থপ থপ আওয়াজ, দ্রুত ঠাপ। মা পোঁদ নাচিয়ে রামচোদন খাচ্ছে, "চোদো আমাকে, আরও জোরে" বলে গোঙাচ্ছে। ৫ মিনিট পর বাঁড়া বের করে, মাকে সোজা করে শুইয়ে, পা ফাঁক করে গুদ কেলিয়ে। মাই খামচে ধরে আবার ঠাপ – মা নিচ থেকে তলঠাপ দিচ্ছে, "আহ্হ উফফ আহ্হ"। লাগাতার ৭ মিনিট চোদার পর গোয়ালা বাঁড়া বের করে মায়ের দুধ আর মুখে মাল ফেলল। মা বাঁড়া চুষে পরিষ্কার করল, গোয়ালা লুঙ্গি পরে যাবার আগে মায়ের পোঁদ খামচে চটাস চটাস চড় মারল, মা কাঁদতে লাগল। তারপর চুল ধরে ল্যাংটা মাকে বারান্দায় নিয়ে গেল, গ্রিল খুলে দিল। গোয়ালা বাইরে যাওয়া অব্দি মা ল্যাংটা দাঁড়িয়ে রইল – পাঁচিল উঁচু, কিন্তু মায়ের এই অপমান দেখে আমি বুঝলাম, মা শুধু চোদনখোর নয়, অত্যাচারিত হতে ভালোবাসে।

মা ঘরে ঢুকে, আমি ১০ মিনিট পর সামনের দরজা দিয়ে ঢুকলাম। মা স্বাভাবিক, কিন্তু আমার চোখে তার চোদন দৃশ্য ভাসছে। রুমে গিয়ে ধোন খিঁচলাম, এত মাল বেরোল যেন কখনো হয়নি। উফফ, কী মাগী মাল আমার মা অনিতা! কিন্তু মা আর কার সাথে চোদায়? জানতে হবে। একা সম্ভব নয়, তাই ল্যান্ডলাইন থেকে শুভকে ফোন করলাম। ১৫ মিনিট পর শুভ এল, সব বললাম। শুনে ওর ধোন খাড়া। ঠিক করলাম, মায়ের উপর নজর রাখবো।

একটু পর মা ডাকল, "মার্কেট যাব, ৭টায় ফিরব।" মা লাল লেগিংস, কালো কুর্তি পরে বেরোল – দেখে কেউ বলবে না এই মাগী চোদনখোর। শুভ বলল, "৪টা বাজে, মার্কেট গেলে ৭টা কেন?" সন্দেহ হল। শুভ হ্যান্ডিক্যাম নিয়ে এল, আমি মায়ের পিছু নিলাম। মা রাস্তায় রতন ট্যাক্সি ড্রাইভারের গাড়িতে উঠল। রতনকে চিনি, কিন্তু মার্কেট তো রিকশায় যাওয়া যায়। আমরা পিছু নিলাম। রতন মেন রোড ছেড়ে সাঁওতাল পাড়া পেরিয়ে জঙ্গলে, একটা ফাঁকা জায়গায় মাটির ঘরে গেল। রতন নেমে এক সাঁওতাল ছেলে চুনুর কাছে টাকা দিল, চুনু সাইকেল নিয়ে চলে গেল। মা রতনের সাথে ঘরে ঢুকল – বুঝলাম মা এখানে নিয়মিত আসে।

আমরা আড়াল থেকে উঁকি দিলাম। ঘরে চৌকি, চাদর, ফ্যান, বাল্ব। মা বসতে যাচ্ছিল, রতন বলল, "ঐ মাগী, আগে ল্যাংটা হ!" মা কুর্তি-লেগিংস খুলল, সাদা প্যান্টি-ব্রা পরে দাঁড়িয়ে। শুভ হাঁ করে দেখছে। রতন বলল, "চুনুকে মাল আনতে পাঠিয়েছি, ও আসা অব্দি নিলডাউন দিয়ে থাক!" মা কান ধরে নিলডাউন দিল – আধা ল্যাংটা হয়ে ট্যাক্সি ড্রাইভারের সামনে! আমার ধোন খাড়া। মা বলল, "আর পারছি না, লাগছে।" রতন হেসে, "ওঠ, বাইরে কঞ্চি নিয়ে আয়!" মা কাঁদল, "এ অবস্থায় বাইরে?" রতন রেগে চড় কষাল, "তবে রে রেন্ডি!" মা কাঁদতে কাঁদতে বাইরে গেল, ব্রা খুলে ফেলল, প্যান্টি পরে হামাগুড়ি দিয়ে কঞ্চি মুখে নিয়ে ঢুকল। মায়ের মাই দোলছে, পোঁদ ভেজা ঘামে চকচক করছে – উফফ, কী রেন্ডি লাগছে! রতন কঞ্চি নিয়ে মায়ের পোঁদ-পিঠ-উরুতে সপাং সপাং মারল, মা "আহ্হ আহ্হ নাআআ" চিৎকার করছে। "কাল না আসার শাস্তি!" বলে চাবকাল। এবার ল্যাংটা করে কানধরে উঠবস করাল – মায়ের মাই-পোঁদ দোলানি দেখে আমাদের ধোন টানটান।

চুনু ফিরল, মালের বোতল নিয়ে। চুনু কালো লম্বা বাঁড়া বের করে মায়ের সামনে ধরল, মা চুষতে লাগল। রতন বলল, "কাল না আসায় কী করব?" চুনু বলল, "রাতে আমার বাড়িতে ছেলের সামনে ল্যাংটা করে চুদব!" মা কাঁদল, "না না, তোমাদের রেন্ডি হয়ে থাকব!" শুভ বলল, "রেকর্ড হচ্ছে, ব্ল্যাকমেল করে কুতিয়া বানাব!" চুনু মায়ের গলা অব্দি বাঁড়া ভরে মুখ মারছে, রতন মুখে, চুনু পিছনে গুদে। থাপ থাপ আওয়াজ, মায়ের মাই-পোঁদ দুলছে। ওরা পালটে পালটে চুদল, মা "চোদো আরও, আহ্হ উফফ" গোঙাচ্ছে। শুভ আমাকে ধোন চোষাল, "তোর মা আমার রেন্ডি, তুই গোলাম!" চুনু মায়ের পেটে মাল ফেলল, রতন মুখে। চোদন শেষ, আমরা বাড়ি ফিরলাম।

রাতে মা ৭:৩০-এ ফিরল, আমি শুভকে ডেকে পেলাম। শুভ আমার বীচি চটকাল, "তোর মা কী খানকি!" আমি ওর ধোন চুষলাম, ও বলল, "তোর মাকে তোর সামনে চুদব!" রাত ৩:৩০-এ উঠে দেখি মা নেই, নাইটি খোলা। বাইরে গেছে। ছাদে উঁকি দিয়ে দেখি, ব্যালকনিতে লাইট অন। মায়ের গলা: "আহ্হ উফফ আস্তে!" মা ল্যাংটা, রেলিংয়ে পা তুলে, নাইট গার্ড সমীর পিছনে মাই খামচে ঠাপাচ্ছে। সমীর বাঁড়া মায়ের পোঁদে ঢোকাল, মা "মাগো মরে গেলাম, আহ্হ"। সমীর চড় মারল, রামঠাপ – থাপ থাপ, মা "চোদো পোঁদে মাল ঢালো"। সমীর পোঁদে মাল ঢেলে, লাঠি দিয়ে পোঁদ মারল, মা কাঁদল। চন্দন এসে দরজায় মুখ চুদল, মাল গিলাল। চন্দন বলল, "কাল রাত ২:৩০-এ ল্যাংটা কানধরে গেটে থাক!" মা "হ্যাঁ স্যার"।

সকালে শুভ এল, মা পাতলা নাইটি পরে, ভেতরে কিছু নেই। আমি কোচিং গেলাম, শুভ মাকে ব্ল্যাকমেল করবে। ক্লাবে ইমরানকে বললাম, "একটা বাঙালি গুদ বারোয়ারি?" ও বলল, "চুদব!" বাড়ি গিয়ে দেখি, মা ল্যাংটা হাঁটু গেড়ে শুভর বাঁড়া চুষছে, গলায় কুত্তার চেইন। শুভ "চোষ মাগী!" ইমরান এসে ধোন ঢোকাল। মা আমার সামনে কানধরে ক্ষমা চাইল, ইমরান মায়ের মুখ চুদল। ওরা মাকে সোফায়, টেবিলে চুদল – গুদ-পোঁদ-মুখ, মাই কচলে লাল, পোঁদ থাপড়ে লাল। মা "আহ্হ চোদো আরও" সুখ নিচ্ছে। বিকেলে ছাড়ল, শুভ বলল, "রাত ৯টায় আসব, মাকে ল্যাংটা রাখ, অত্যাচার কর!"

মা স্নান করে তোয়ালে জড়িয়ে বেরোল, আমি খুলে ল্যাংটা করলাম। হ্যান্ডিক্যাম ধরে জিজ্ঞাসা করলাম, "কবে থেকে?" মা নিলডাউন দিয়ে বলল – গোয়ালা, রতন, চুনু, গার্ড, বাবার পার্টনার, গ্রামের মুনিষ। আমি রেগে স্কেল দিয়ে জাং-মাই-গুদে মারলাম, মা কাঁদল "আহ্হ মারিস না!" হটাৎ সঞ্জু কেবলওয়ালা এসে দেখল। আমি বললাম, "১০ মিনিট যা খুশি কর!" সঞ্জু মায়ের মুখ-গুদ চুদে মাল ঢেলে, কান মোচড়ে চলে গেল। মা কাঁদতে কাঁদতে শাস্তি পেল, কিন্তু আমার মনে সুখ – এই বেশ্যা মায়ের জন্য এটাই উচিত! আরও হট অংশ আসছে, অপেক্ষা করো।

 

সঞ্জু যাবার পর আমি মাকে নিলডাউন করে রেখে দিলাম, কান ধরে। মায়ের চোখে জল, কান লাল হয়ে গেছে মোচড়ানোর জন্য, কিন্তু আমার মনে কোনো দয়া নেই। এই খানকি মাগী, যে আমার বাবার অনুপস্থিতিতে গোয়ালা, ড্রাইভার, সাঁওতাল, গার্ড, মুনিষ – সবার বাঁড়া খেয়েছে, তার জন্য শাস্তি চলবেই। আমি বললাম, "মা, তোমার গুদটা দেখি তো, কতটা ফাঁক হয়ে গেছে এত চোদোন খেয়ে?" মা কাঁদতে কাঁদতে পা ফাঁক করল, ল্যাংটা হয়ে কান ধরে বসে। আমি ক্যামেরা ধরে ক্লোজআপ নিলাম – মায়ের গুদ ভেজা, লাল, চুলকানি যেন চোদনের জন্য। আমি স্কেল দিয়ে গুদের খাঁজে হালকা মারলাম, মা "আহ্হ মা গো, লাগছে দীপ, আর মারিস না!" বলে কাঁপতে লাগল। কিন্তু আমার ধোন টানটান, মাগীর কাঁদা দেখে আরও উত্তেজনা হচ্ছে।

আমি মাকে বললাম, "উঠ, হামাগুড়ি দিয়ে রান্নাঘরে যা, আর আমার জন্য চা বানা। ল্যাংটা হয়েই!" মা নিরুপায়, হামাগুড়ি দিয়ে গেল – মাই দোলছে, পোঁদ দুলছে, পোঁদের দাগ লাল সঞ্জুর চড়ের। আমি পিছনে গিয়ে পোঁদে চটাস করে চড় মারলাম, "জলদি কর মাগী!" মা রান্নাঘরে চা বানাতে লাগল, আমি ক্যামেরা চালিয়ে রাখলাম। চা দিতে এলে আমি বললাম, "হাঁটু গেড়ে দে, আর বল, 'আমি তোমার মা অনিতা, তোমার রেন্ডি, এই চা খাও বাবু'।" মা তাই করল, কাঁদতে কাঁদতে। আমি চা খেয়ে ওর মাইতে চিমটি কাটলাম, "উফফ, কী নরম দুদু, কত লোক কচলে খেয়েছে!" মা "আহ্হ" করে উঠল।

সন্ধ্যা হল, আমি মাকে ল্যাংটা করে সোফায় বসিয়ে রাখলাম, পা ফাঁক করে। "যতক্ষণ না শুভ আর ইমরান আসে, তুমি গুদে আঙুল দিয়ে খেলো, কিন্তু মাল ফেলবা না।" মা লজ্জায় মাথা নামিয়ে তাই করতে লাগল, গোঙাচ্ছে "আহ্হ উফফ"। আমার ধোন খাড়া, কিন্তু শুভের হুকুম – আমি চুদতে পারব না ওদের সামনে। রাত ৯টা বাজল, দরজায় নক। আমি খুললাম, শুভ আর ইমরান এল, সাথে একটা সারপ্রাইজ – ইমরানের দিদি রিয়া! রিয়া ২২ বছরের, ফিগার ৩৬-২৮-৩৮, মুসলিম মেয়ে, হিজাব পরে আসে সাধারণত, কিন্তু আজ টাইট জিন্স আর টপ। ইমরান বলল, "ভাই, কথা দিয়েছিলাম না? তোর মায়ের গুদে আমার মুসলমানি বাঁড়া ঢোকালে, আমার দিদির গুদ তোকে দেব। কিন্তু আজ রাতে সবাই মিলে তোর মাকে চুদব, আর রিয়া দেখবে কীভাবে বাঙালি মাগীকে হ্যান্ডেল করতে হয়।"

মা লজ্জায় মাথা নামিয়ে বসে আছে, ল্যাংটা। শুভ বলল, "ওঠ মাগী, রিয়া দিদির পা ধরে বল, 'আমি অনিতা, বাঙালি খানকি, তোমার ভাইয়ের রেন্ডি'।" মা তাই করল, রিয়া হেসে মায়ের চুল ধরে টেনে দাঁড় করাল, "উফফ, কী বড় মাই আন্টি, আমার ভাই তো তোমাকে চুদে ছারখার করবে!" ইমরান ধোন বের করল, লম্বা ৮ ইঞ্চি মুসলমানি রড, শক্ত। "আয় মাগী, চোষ!" মা হাঁটু গেড়ে চুষতে লাগল, ইমরান মায়ের মুখে ঠাপাতে লাগল, "গপ গপ" আওয়াজ। রিয়া পাশে বসে মায়ের মাই কচলাচ্ছে, "আহ্হ, কী নরম, ভাই চোষ এগুলোকে!" শুভ আমাকে বলল, "তুই দেখ, তোর মা কীভাবে মুসলিম বাঁড়া খাচ্ছে।"

ইমরান মায়ের মুখ চুদে বাঁড়া বের করল, এবার মাকে সোফায় ফেলে পা ফাঁক করল। "দেখ দীপ, তোর মায়ের বাঙালি গুদে আমার মুসলমানি বাঁড়া ঢোকাচ্ছি!" এক ঠাপে অর্ধেক ঢোকাল, মা "আহ্হ মাগো, লাগছে, এত বড়!" বলে চিৎকার করল। ইমরান আরও চাপ দিয়ে পুরো ঢোকাল, "থপ থপ" করে ঠাপাতে লাগল। মায়ের মাই লাফাচ্ছে, গুদ ভেজা হয়ে গেছে। মা "আহ্হ চোদো ইমরান, তোমার বাঁড়া উফফ, আরও জোরে!" বলে সুখ নিচ্ছে। রিয়া মায়ের বোঁটায় চিমটি কাটছে, "খানকি আন্টি, আমার ভাইয়ের চোদন খাও!" শুভ এবার বাঁড়া বের করে মায়ের মুখে ঢোকাল, দু'দিক থেকে চোদন – গুদে ইমরান, মুখে শুভ। মা গোঙাচ্ছে "উম্ম উম্ম", পোঁদ নাচিয়ে।

কিছুক্ষণ পর পজিশন চেঞ্জ – মা কুত্তি স্টাইলে বসল, পোঁদ উঁচিয়ে। ইমরান পিছনে পোঁদে বাঁড়া ঢোকাল, "আহ্হ আহ্হ, পোঁদ মারো না, লাগবে!" মা বলল, কিন্তু ইমরান রামঠাপ দিল, "শালী বাঙালি মাগী, তোর পোঁদ আমার!" থাপ থাপ আওয়াজ, মায়ের পোঁদ লাল হয়ে যাচ্ছে। শুভ মুখে চুদছে, রিয়া পোঁদে চড় মারছে "চটাস চটাস"। মা কাঁদছে আর সুখ নিচ্ছে, "আহ্হ উফফ, চোদো সবাই, আমি তোমাদের দাসী!" ইমরান পোঁদে মাল ঢেলে বের করল, এবার শুভ গুদে ঢোকাল। রিয়া মায়ের গুদে আঙুল দিয়ে খেলছে, "ভাই, এই মাগীর গুদ কত ভেজা, চুদে ছিঁড়ে দে!"

এভাবে রাতভর চোদন চলল – সোফায়, টেবিলে, মেঝেতে। ওরা মাকে পালটে পালটে চুদল, মাই কচলে লাল করল, পোঁদ থাপড়ে দাগ দিল। মা "আহ্হ চোদো আরও, তোমাদের বাঁড়া আমার গুদে চাই!" বলে চিৎকার করছে। আমি দেখছি, ধোন খিঁচছি। শুভ বলল, "দীপ, তোর পালা – কিন্তু তোর মায়ের সামনে না, রিয়াকে চোদ!" রিয়া ল্যাংটা হয়ে বসল, তার গুদ মুসলমানি, ভেজা। আমি ঢোকালাম, "আহ্হ রিয়া, কী টাইট!" রিয়া "চোদ দীপ, তোর মায়ের মতো আমাকেও রেন্ডি বানা!" মা দেখছে, লজ্জায় কাঁদছে, কিন্তু ওরা আবার মাকে চুদতে লাগল।

ভোর হল, ওরা চলে গেল, মাকে বলে "কাল আবার আসব, তৈরি থাকিস খানকি!" মা ক্লান্ত, ল্যাংটা শুয়ে আছে, গুদ-পোঁদ থেকে মাল গড়াচ্ছে। আমি মাকে বললাম, "মা, এটা তো শুরু, তোমার বেশ্যাপনার শাস্তি চলবে। কাল আরও লোক আনব!" মা কাঁদতে কাঁদতে বলল, "দীপ, আমাকে ক্ষমা কর, কিন্তু চোদন সুখ ছাড়া থাকতে পারি না।" আমার মনে নতুন প্ল্যান – কাল পাড়ার আরও ছেলেদের ডেকে মাকে বারোয়ারি চোদাব। উফফ, কী হট হবে সেই কাহিনী! পরের অংশে বলব, কীভাবে অনিতা মাগী পাড়ার সবার রেন্ডি হয়ে গেল। 

Post a Comment

ধন্যবাদ! কমেন্ট বক্সে কোনো প্রকার লিংক বা খারাপ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

নবীনতর পূর্বতন