আপুর বিউটি পার্লার 😍

 আমার নাম রিয়া। আমি একটা ছোট্ট শহরের মেয়ে, কিন্তু আমার স্বপ্ন ছিল বড়। আমার বোন প্রিয়া, যাকে আমি আপু বলে ডাকি, সে আমার থেকে দু'বছরের বড়। আপু সবসময় বলত, "রিয়া, জীবনটা শুধু পড়াশোনা নয়, ব্যবসা করতে হবে।" আপু কলকাতায় একটা ছোট্ট বিউটি পার্লার খুলেছিল, কিন্তু সেটা আসলে ছিল তার গোপন ব্যবসার আড়াল। আমি জানতাম না প্রথমে, কিন্তু ধীরে ধীরে সব বুঝতে শুরু করলাম। আপুর ব্যবসা ছিল হাই-প্রোফাইল ক্লায়েন্টদের জন্য স্পেশাল সার্ভিস – মানে, ম্যাসাজ, স্পা, আর তারপর যা যা চান। আপু নিজে শুরু করেছিল, কিন্তু পরে আমাকে টেনে নিল। "রিয়া, তুইও জয়েন কর, পয়সা ভালো," বলে। আমি প্রথমে রাজি হইনি, কিন্তু বাড়ির অবস্থা খারাপ দেখে শেষমেশ হ্যাঁ বললাম।


আমাদের প্রথম ক্লায়েন্ট ছিল অমিত। অমিত একটা বড় কোম্পানির ম্যানেজার, বয়স তিরিশের কাছাকাছি, লম্বা, ফর্সা, আর চোখে একটা দুষ্টু হাসি। আপু বলল, "রিয়া, তুই অমিতকে হ্যান্ডেল কর। আমি সৌরভকে দেখছি।" সৌরভ অমিতের বন্ধু, একটা ব্যাঙ্কে চাকরি করে, মোটা চশমা পরে, কিন্তু শরীরটা ফিট। তারা দু'জনেই আমাদের পার্লারে এসেছিল "স্পেশাল ম্যাসাজ" এর জন্য। আমি ঘরে ঢুকলাম, অমিত বিছানায় শুয়ে আছে, শুধু একটা টাওয়েল পরা। আমার হাত কাঁপছিল, কিন্তু আপু বলেছিল, "ভয় পাস না, এটা ব্যবসা।"


আমি অমিতের পিঠে তেল মাখতে শুরু করলাম। তার শরীর গরম, পেশীগুলো শক্ত। "রিয়া, তোমার হাতটা ম্যাজিক," অমিত বলল, চোখ বন্ধ করে। আমি হাসলাম, কিন্তু ভিতরে উত্তেজনা হচ্ছিল। ধীরে ধীরে আমার হাত নিচে নামল, তার কোমরে, তারপর টাওয়েলের নিচে। অমিত উঠে বসল, আমাকে কাছে টেনে নিল। "তুমি খুব সেক্সি," বলে সে আমার ঠোঁটে চুমু খেল। আমার শরীর জ্বলে উঠল। আমি তার টাওয়েল খুলে ফেললাম, তার লিঙ্গটা দেখে আমার চোখ বড় হয়ে গেল – লম্বা, মোটা, শক্ত। অমিত আমার ড্রেস খুলে ফেলল, আমার স্তন দু'হাতে চেপে ধরল। "আহহ," আমি বললাম, কিন্তু সেটা ছিল আনন্দের। সে আমার স্তনের বোঁটা চুষতে শুরু করল, আমার শরীর কাঁপছে। আমি তার লিঙ্গ ধরে হাত মারতে লাগলাম, সে হাঁপাচ্ছে।


পাশের ঘর থেকে আপুর আওয়াজ আসছে। সৌরভ আর আপু কী করছে, আমি কল্পনা করতে পারছি। আপু সবসময় বলে, "ক্লায়েন্টকে স্যাটিসফাই করতে হবে।" অমিত আমাকে বিছানায় শুয়ে দিল, তার জিভ আমার যোনিতে লাগাল। "আহহহ, অমিতদা," আমি চিৎকার করলাম। তার জিভ ঘুরছে, চুষছে, আমার রস বেরোচ্ছে। আমি তার মাথা চেপে ধরলাম। তারপর সে উঠল, তার লিঙ্গ আমার যোনিতে ঢোকাতে চাইল। "কনডম?" আমি বললাম। "না, রিয়া, রিয়াল ফিল চাই," অমিত বলল। আমি রাজি হলাম, কারণ আপু বলেছিল এরকম ক্লায়েন্টদের জন্য। তার লিঙ্গ ঢুকল, আমার যোনি ফেটে যাবে মনে হল। সে ধাক্কা দিতে শুরু করল, আমি তার পিঠে নখ দিয়ে আঁচড় দিলাম। "ফাক মি হার্ড," আমি বললাম, উত্তেজনায়। অমিত আরও জোরে ধাক্কা দিচ্ছে, আমার স্তন লাফাচ্ছে।


পাশের ঘরে আপু আর সৌরভের আওয়াজ আরও জোরে। আমি শুনলাম আপু বলছে, "সৌরভ, তোমারটা খুব বড়, আহহহ।" সৌরভ হাঁপাচ্ছে, "প্রিয়া, তুমি গডেস।" তারা দু'জনে মিলে কী করছে, আমার মনে হচ্ছে। অমিত আমাকে উল্টো করে শুয়ে দিল, পিছন থেকে ঢোকাল। "ডগি স্টাইল, রিয়া," বলে সে আমার চুল ধরে টানল। আমার যোনি ভিজে গেছে, তার লিঙ্গ সহজে ঢুকছে বেরোচ্ছে। আমি চিৎকার করছি, "হ্যাঁ, আরও জোরে।" অমিতের ধাক্কায় আমার অর্গাজম হল, আমার শরীর কাঁপল। সে আরও কয়েকটা ধাক্কা দিয়ে তার রস আমার ভিতরে ঢেলে দিল। গরম রস অনুভব করে আমি আরও উত্তেজিত হলাম।


সেদিনের পর আমাদের ব্যবসা বাড়তে লাগল। অমিত আর সৌরভ রেগুলার ক্লায়েন্ট হয়ে গেল। একদিন তারা দু'জনে মিলে আমাদের চারজনকে একসাথে চাইল। আপু বলল, "রিয়া, এটা বড় অপরচুনিটি।" আমরা একটা প্রাইভেট রুমে গেলাম। অমিত আমাকে কাছে টেনে নিল, সৌরভ আপুকে। কিন্তু তারপর তারা সোয়াপ করল। সৌরভ আমার স্তন চুষছে, অমিত আপুর যোনিতে জিভ দিচ্ছে। আমি সৌরভের লিঙ্গ মুখে নিলাম, চুষতে শুরু করলাম। সে হাঁপাচ্ছে, "রিয়া, তুমি প্রো।" আপু অমিতের লিঙ্গ হাতে নিয়ে মারছে। তারপর আমরা চারজন মিলে। অমিত আমাকে চুদছে, সৌরভ আপুকে। আমরা পজিশন চেঞ্জ করলাম – আমি সৌরভের উপর উঠলাম, আপু অমিতের। আমার যোনি সৌরভের লিঙ্গে উঠানামা করছে, আপু অমিতকে রাইড করছে। ঘরটা ভরে গেছে আমাদের চিৎকারে – "আহহহ, ফাক, য়েস, হার্ডার।"


একসময় অমিত বলল, "সোয়াপ অ্যাগেইন।" এবার সৌরভ আমাকে পিছন থেকে, অমিত আপুকে। তারা দু'জনে আমাদের চুল ধরে টানছে, ধাক্কা দিচ্ছে। আমার যোনি ফুলে গেছে, কিন্তু আনন্দ অসীম। আপু আমার দিকে তাকিয়ে হাসল, "রিয়া, এটাই ব্যবসা।" তারপর তারা দু'জনে আমাদের মুখে রস ঢেলে দিল। আমি আর আপু মিলে চেটে খেলাম। সেদিন আমরা অনেক পয়সা পেলাম।


কয়েকদিন পর নতুন ক্লায়েন্ট এল – রাজ। রাজ একটা বিজনেসম্যান, বয়স চল্লিশ, কিন্তু শরীর ফিট। সে চাইল থ্রি-সাম। আপু বলল, "রিয়া, আমরা দু'জনেই।" রাজ ঘরে ঢুকল, আমাদের দু'জনকে নগ্ন করে দিল। সে আপুর স্তন চুষছে, আমার যোনিতে আঙ্গুল ঢোকাচ্ছে। "তোমরা দু'বোন সেক্সি," বলল। আমি তার লিঙ্গ মুখে নিলাম, আপু তার বল চাটছে। রাজ হাঁপাচ্ছে। তারপর সে আপুকে চুদতে শুরু করল, আমাকে তার মুখে বসিয়ে দিল। তার জিভ আমার যোনিতে, আমি তার মুখে রাইড করছি। আপু চিৎকার করছে, "রাজ, তোমারটা মোটা, আহহহ।" আমার অর্গাজম হল, আমার রস তার মুখে পড়ল। তারপর সে আমাকে শুয়ে দিল, আপু তার লিঙ্গে উঠল। আমরা দু'জন মিলে তাকে স্যান্ডউইচ করলাম। রাজের ধাক্কায় আমাদের শরীর কাঁপছে। শেষে সে আমাদের দু'জনের যোনিতে রস ঢেলে দিল।


আমাদের ব্যবসা আরও বাড়ল। আমরা নতুন মেয়ে নিলাম, কিন্তু আপু আর আমি ছিলাম মেইন। অমিত, সৌরভ, রাজ – তারা সবাই রেগুলার। একদিন তারা তিনজনে মিলে এল। "গ্রুপ সেক্স," বলল। আমরা পাঁচজন ঘরে। তারা আমাদের নগ্ন করল। অমিত আমাকে চুদছে, সৌরভ আপুকে, রাজ আমার মুখে লিঙ্গ ঢোকাচ্ছে। তারপর চেঞ্জ – সৌরভ আমার পিছনে, রাজ আপুর যোনিতে, অমিত আপুর মুখে। আমাদের চিৎকারে ঘর ভরে গেল। তারা আমাদের যোনি, মুখ, পিছনে – সব জায়গায় চুদল। শেষে তারা তিনজনে আমাদের শরীরে রস ঢেলে দিল। আমি আর আপু ক্লান্ত, কিন্তু খুশি। "এটাই আমাদের ব্যবসা," আপু বলল।


এখন আমরা বড় হয়েছি। আরও ক্লায়েন্ট, আরও পয়সা। কিন্তু প্রতিদিনের এই নোংরামি আমাদের জীবন। রিয়াল ফিল, গরম, ডার্টি – এটাই আমাদের স্টোরি।


আমাদের ব্যবসা চলছে দারুণ। আপু আর আমি এখন কলকাতার একটা বড় ফ্ল্যাটে শিফট করেছি, পার্লারটা আরও লাক্সারিয়াস করে তুলেছি। অমিত, সৌরভ, রাজ – তারা তো রেগুলার, কিন্তু নতুন ক্লায়েন্ট আসছে প্রতিদিন। একদিন আপু বলল, "রিয়া, আজ একটা স্পেশাল গ্রুপ আসছে। চারজন বিজনেসম্যান, তারা চাইছে ফুল নাইট সার্ভিস। তুই রেডি?" আমি হাসলাম, "আপু, এখন তো অভ্যাস হয়ে গেছে। চল, দেখি কী করতে পারি।"


সন্ধ্যায় তারা এল – বিজয়, কিরণ, মনোজ আর সুমিত। সবাই থার্টি-ফর্টির মধ্যে, স্যুট পরা, গাড়ি থেকে নেমে এল। বিজয় লিডার মনে হল, লম্বা, কালো, চোখে একটা হাঙ্গরের মতো লুক। "প্রিয়া, তোমাদের রেপুটেশন শুনেছি। আজ দেখি কতটা রিয়াল," বলে সে আপুকে কাছে টেনে নিল। আপু হাসল, "সব দেখাব। রিয়া, তুই কিরণ আর মনোজকে হ্যান্ডেল কর। আমি বিজয় আর সুমিতকে।" আমরা বড় রুমে গেলাম, লাইট ডিম, মিউজিক চলছে।


আমি কিরণকে প্রথমে ম্যাসাজ দিতে শুরু করলাম। তার শরীর পেশীবহুল, জিম করে নিশ্চয়। "রিয়া, তোমার হাতটা সিল্কের মতো," কিরণ বলল, চোখ বন্ধ করে। আমার হাত নিচে নামল, তার প্যান্টের উপর দিয়ে তার লিঙ্গ অনুভব করলাম – ইতিমধ্যে শক্ত। মনোজ পাশে বসে দেখছে, তার চোখে লোভ। আমি কিরণের প্যান্ট খুলে ফেললাম, তার লিঙ্গ মুখে নিলাম। চুষতে শুরু করলাম, জিভ ঘুরিয়ে। কিরণ হাঁপাচ্ছে, "আহহ, রিয়া, গুড গার্ল।" মনোজ উঠে এল, তার লিঙ্গ বের করে আমার মুখে ঢোকাতে চাইল। আমি দু'জনের লিঙ্গই চুষলাম, একটা মুখে, অন্যটা হাতে। তারা আমার স্তন চেপে ধরেছে, বোঁটা টানছে।


পাশে আপু বিজয়ের উপর উঠেছে, রাইড করছে। বিজয় আপুর কোমর ধরে ধাক্কা দিচ্ছে, "প্রিয়া, তোমার যোনি টাইট, ফাক য়ু।" সুমিত আপুর পিছনে, তার পিছনের ছিদ্রে আঙ্গুল ঢোকাচ্ছে। আপু চিৎকার করছে, "হ্যাঁ, আরও গভীরে।" আমি দেখে উত্তেজিত হয়ে গেলাম। কিরণ আমাকে বিছানায় শুয়ে দিল, তার লিঙ্গ আমার যোনিতে ঢোকাল। "আহহহ, কিরণ, স্লো," আমি বললাম, কিন্তু সে জোরে ধাক্কা দিল। মনোজ আমার মুখে তার লিঙ্গ ঢোকাল, গলা পর্যন্ত। আমি গ্যাগ করছি, কিন্তু আনন্দ লাগছে। কিরণের ধাক্কায় আমার শরীর কাঁপছে, মনোজের লিঙ্গ চুষছি।


হঠাৎ বিজয় বলল, "সোয়াপ করি।" সবাই পজিশন চেঞ্জ করল। এবার সুমিত আমাকে পিছন থেকে চুদছে, তার লিঙ্গ মোটা, আমার পিছনের ছিদ্রে ঢোকাচ্ছে। "রিয়া, তোমার অ্যাস টাইট," সুমিত বলল, ধাক্কা দিতে দিতে। বিজয় আমার যোনিতে ঢোকাল, ডাবল পেনিট্রেশন। আমি চিৎকার করলাম, "আহহহ, ফেটে যাবে!" কিন্তু তারা থামল না, জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছে। আপু পাশে কিরণ আর মনোজের সাথে, কিরণ আপুকে চুদছে, মনোজ আপুর মুখে। ঘরটা ভরে গেছে আমাদের হাঁপানো আর চিৎকারে – "ফাক মি, হার্ডার, য়েস, কাম ইনসাইড।"


কিছুক্ষণ পর তারা আমাদের দু'জনকে মাঝখানে রেখে সার্কেল করল। আমি আর আপু হাঁটু গেড়ে বসলাম, তারা চারজন আমাদের চারপাশে। আমরা তাদের লিঙ্গ চুষছি, একটা থেকে অন্যটায় যাচ্ছি। বিজয় আমার চুল ধরে টানল, তার লিঙ্গ গলা পর্যন্ত ঢোকাল। সুমিত আপুর স্তন চেপে ধরেছে, বোঁটা কামড়াচ্ছে। তারপর তারা আমাদের উপর শুয়ে দিল। বিজয় আমাকে চুদছে, কিরণ আপুকে, মনোজ আমার পিছনে, সুমিত আপুর পিছনে। ডাবল পেনিট্রেশন আবার, আমাদের শরীর কাঁপছে, রস বেরোচ্ছে। আমার অর্গাজম হল দু'বার, আপুরও। তারা হাঁপাচ্ছে, "তোমরা স্লাট, গুড।"


রাত বাড়ল, তারা থামল না। একসময় বিজয় বলল, "এবার ফাইনাল।" তারা আমাদের মুখ খুলে রাখল, চারজন মিলে হাত মেরে রস ঢেলে দিল আমাদের মুখে, স্তনে, শরীরে। গরম রসের ফিলিং, আমি আর আপু মিলে চেটে খেলাম। তারা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়ল, আমরা তাদের ম্যাসাজ দিলাম। সকালে তারা গেল, অনেক টাকা দিয়ে। আপু বলল, "রিয়া, এরকম গ্রুপ আরও আনব।"


কয়েকদিন পর একটা টুইস্ট হল। অমিত এসে বলল, "রিয়া, তোমাকে একা চাই। প্রাইভেট।" আমি রাজি হলাম। অমিত আমাকে তার ফ্ল্যাটে নিয়ে গেল। সেখানে তার বউ নেই, বলল। আমরা শুরু করলাম। অমিত আমার ড্রেস খুলে ফেলল, আমাকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে চুদতে শুরু করল। "দেখ, রিয়া, কেমন লাগছে," বলে সে ধাক্কা দিচ্ছে। আমি আয়নায় দেখছি, আমার স্তন লাফাচ্ছে, তার লিঙ্গ ঢুকছে বেরোচ্ছে। তারপর সে আমাকে বেঁধে ফেলল, হাতকড়া দিয়ে। "বন্ডেজ, রিয়া," বলে সে আমার যোনিতে ভাইব্রেটর ঢোকাল। আমি চিৎকার করছি, "অমিত, স্টপ, নো, মোর।" সে আমাকে চাবুক মারল হালকা, উত্তেজনা বাড়াল। তারপর চুদল জোরে, আমার ভিতরে রস ঢেলে দিল। সেদিন আমি বুঝলাম, অমিতের ডার্ক সাইড আছে।


আপুর সাথেও এরকম হল। রাজ তাকে একটা পার্টিতে নিয়ে গেল, সেখানে আরও লোক। আপু পরে বলল, "রিয়া, ওরা আমাকে শেয়ার করল। পাঁচজন মিলে।" আপু হাসল, কিন্তু আমি দেখলাম তার চোখে একটা ভয়। ব্যবসা বাড়ছে, কিন্তু রিস্কও। একদিন সৌরভ এসে বলল, "প্রিয়া, রিয়া, তোমাদের একটা বিগ ক্লায়েন্ট। একটা পলিটিশিয়ান।" আমরা রাজি হলাম। সে এল – নাম অশোক, বয়স পঞ্চাশ, কিন্তু পাওয়ারফুল। সে চাইল আমাদের দু'জনকে একসাথে।


অশোক আমাদের নগ্ন করে দিল, আপুকে তার উপর বসাল, আমাকে তার মুখে। সে আপুর যোনিতে ধাক্কা দিচ্ছে, আমার যোনি চাটছে। "তোমরা দু'বোন মিলে পারফেক্ট," বলল। তারপর সে আমাকে চুদল, আপুকে তার লিঙ্গ চোষাল। অশোকের লিঙ্গ বিশাল, আমার যোনি ছিঁড়ে যাবে মনে হল। সে ধাক্কা দিতে দিতে বলল, "চিৎকার করো, স্লাটস।" আমরা চিৎকার করলাম, তার রস আমাদের ভিতরে। কিন্তু পরে সে বলল, "এটা রেকর্ড করেছি। আরও চাইলে বলো।" আমরা ভয় পেলাম, কিন্তু পয়সা দিল অনেক।


এখন আমাদের জীবন এরকম – গরম, নোংরা, রিয়াল। ব্যবসা চলছে, কিন্তু কখন কী হবে, জানি না। আপু বলে, "রিয়া, এটাই আমাদের ফ্যান্টাসি।" কিন্তু আমি জানি, এটা আমাদের রিয়ালিটি।

Post a Comment

ধন্যবাদ! কমেন্ট বক্সে কোনো প্রকার লিংক বা খারাপ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

নবীনতর পূর্বতন